দহনজ্বালা শেষে বাংলা এখন ‘কুল কুল’! ৫০-৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা এই ৬ জেলায়
শুক্রবার সকাল থেকেই মেঘের আনাগোনা সেই ইঙ্গিত দিচ্ছে—আবহাওয়া আপাতত স্বস্তির দিকেই।
Truth of Bengal: ভোটের উত্তাপ যতই বাড়ুক, আকাশের মেজাজ এখন একেবারেই ভিন্ন। বৈশাখের কালবৈশাখী আর টানা বৃষ্টিতে দহনজ্বালা ধুয়ে গিয়ে বাংলার আবহাওয়া এখন সত্যিই ঠান্ডা, আরামদায়ক। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়ার কোনও ইঙ্গিত নেই। বরং সপ্তাহান্ত জুড়ে ঝড়-বৃষ্টির দাপট বজায় থাকবে। শুক্রবার সকাল থেকেই মেঘের আনাগোনা সেই ইঙ্গিত দিচ্ছে—আবহাওয়া আপাতত স্বস্তির দিকেই।
গত দু’দিনের টানা বৃষ্টিতে কলকাতার তাপমাত্রা একধাক্কায় অনেকটাই নেমে গেছে। শহরে মোট ৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে, যার জেরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৭.৫ ডিগ্রি কমে দাঁড়িয়েছে ২৮.২ ডিগ্রিতে। রাতের তাপমাত্রাও ২০ ডিগ্রির নিচে নেমে গিয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বিশেষ করে দুই ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি রয়েছে।
উত্তরবঙ্গেও একই ছবি। পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা ভূমিধসের আশঙ্কা বাড়াতে পারে। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার প্রভাব থাকবে। আবহাওয়াবিদদের মতে, রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাভাস ৪ মে, অর্থাৎ ভোট গণনার দিন ঘিরে। রাজনীতির উত্তাপ চূড়ান্তে পৌঁছালেও আকাশ থাকবে মেঘলা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ওই দিন রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়বে এবং সঙ্গে থাকবে দমকা হাওয়া। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও দুই মেদিনীপুর-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই মঙ্গলবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির এই পর্ব চলবে। ফলে ফল ঘোষণার দিন উত্তেজনা থাকলেও প্রকৃতির দয়ায় আবহাওয়া থাকবে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক।






