হুগলি, রাকেশ চক্রবর্তী: ঠিক যেন যুদ্ধ নয় শান্তি চাই এর মত অব্যক্ত কথায় বোঝানোর চেষ্টা বলা ভালো শিল্পীর তুলিতে ফুটে ওঠা সেই দাবী আজকের দিনে বড় প্রাসঙ্গিক। (Hoogly)
আরও পড়ুন: বালিভাষা টোল প্লাজার কালীপুজোয় নতুন ভাবনার ছোঁয়া, কী সেই থিম জানেন?
কালী পুজো এলেই শব্দ দানবের তান্ডব দেখা যায় চারিদিকে। রাত যত গভীর হয় বাড়তে থাকে শব্দ। বেআইনি শব্দবাজির বিরুদ্ধে যতই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক না কেন তা চলতেই থাকে। (Hoogly) অন্তত বিগত বছর গুলির অভিজ্ঞতার তেমনই।
আর এই প্রচন্ড শব্দে কানে তালা লাগে শুধু মানুষের না পশু পাখিদেরও। তারা অবলা তাই মুখ বুজে সহ্য করে।
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal

চন্দননগর স্ট্রান্ড রোডে শিল্পী সোহেল সহ আরও কয়েকজন এই শব্দ দানবের বিরুদ্ধে রংতুলি হাতে তুলে নিয়েছেন।
ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলেছেল, পশু-পাখিরা কতটা শঙ্কায় থাকে এই দিনগুলোতে। নিজেদের বাঁচাতে কীভাবে আড়াল খোঁজে তাঁরা। চন্দননগর স্ট্যান্ড রোড এমনিতেই ‘গ্রিন জোন’ হিসাবে পরিচিত। এখানে শব্দ ও দূষণ নিয়ন্ত্রিত। আর তাই সারা বছর শীত-গ্রীষ্ম বহু মানুষ শুধু চন্দননগর নয় বাইরে থেকেও আসেন এবং তারা গঙ্গার পাড়ের স্নিগ্ধতা অনুভব করেন। (Hoogly)
স্ট্র্যান্ডে গঙ্গার পার বরাবর গাছগুলোতে অসংখ্য পাখিদের আস্তানা। কালীপুজো ছট পুজো এবং জগদ্ধাত্রী পুজোর দিনগুলোতে শব্দ কোলাহলে ভরে ওঠে স্ট্যান্ড। সেখানে বহু সারমেয় দেখা যায়। একটু নিঃশব্দ সেই পশু পাখিদের নিরাপত্তা দিতে পারে। এগিয়ে আসেন ক্যানভাসের সাহায্যে।
চন্দননগরেরই কয়েকজন শিল্পী মানুষকে সচেতন করতে নিজেদের কল্পনার তুলি দিয়ে বাস্তবকে এঁকেছেন। এ বিযয়ে ‘আশ্রয় হোম অ্য়ান্ড হসপিটাল ফর অ্য়ানিমেনল ওয়েলফেয়ার অ্য়াসোসিয়েশন শ্রীরামপুর’ এর সম্পাদক গৌতম সরকার বলেন, “খুবই ভালো উদ্যোগ। কারণ প্রত্যেক বছর এই উৎসবের সময় শব্দবাজির তাণ্ডব দেখা যায়। আসলে মানুষ মনে করে এই পৃথিবীটা শুধু তাদেরই। কিন্তু পশুপাখি না থাকলে মানুষের কোন অস্তিত্ব থাকবে না। তাই যতটা মানুষের এই পৃথিবী ততটাই অন্যান্য জীবজন্তু পশু পাখির।” শব্দ দানবের অত্যাচারে অনেক পশু পাখি মারা যায়। বয়স্ক অসুস্থ মানুষদেরও অনেক অসুবিধা হয়। সেটা কখনই সমিচিন নয়। তাই সচেতন হতে হবে। মানুষ নিজেদের আনন্দের জন্য অন্যের নিরানন্দের কারণ যেন না হয়। (Hoogly)






