দেশ

DA Case: ফের পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি, সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা সরকারি কর্মীদের

তবে শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় হতাশ মামলাকারীরা।

Truth Of Bengal: ফের একবার নিরাশ হতে হল সরকারি কর্মীদের। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে হওয়ার কথা ছিল মহার্ঘভাতা (ডিএ) মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি। তবে শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় হতাশ মামলাকারীরা (DA Case)।

২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্ট সরকারি কর্মীদের পক্ষে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল। আদালত স্পষ্ট জানায়, ডিএ কর্মীদের প্রাপ্য অধিকার এবং তারা কেন্দ্রীয় হারে সেই সুবিধা পেতে বাধ্য। রাজ্য সরকার ওই রায়ের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে যায়। তবে সেখানেও ধাক্কা খেতে হয় রাজ্যকে। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, বকেয়া মহার্ঘভাতার অন্তত ২৫ শতাংশ মেটাতে হবে কর্মীদের। এর জন্য রাজ্যকে ছয় সপ্তাহ সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সেই নির্দেশ পালনে রাজ্য আরও সময় চায়।

আরও পড়ুনঃ DA Case: ফের পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি, সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা সরকারি কর্মীদের

ডিএ বকেয়া মেটানো নিয়ে এর আগের শুনানিতেই রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঠিক কত টাকা বকেয়া রয়েছে এবং কর্মচারীদের প্রাপ্য কত, তার নির্দিষ্ট অঙ্ক এখনও হাইকোর্ট রাজ্যকে জানায়নি। তাই হিসাব কষে বের করতে সময় প্রয়োজন। সেই কারণেই আদালতের কাছে অতিরিক্ত দু’মাস সময় চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে এখনও কোনও রায় দেয়নি। শুনানিতে প্রশ্ন উঠেছিল, দিল্লি বা চেন্নাইয়ে কর্মরত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীরা যখন কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাচ্ছেন, তখন রাজ্যের কর্মচারীরা কেন সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত? এই বৈষম্য নিয়েই ক্ষোভ তীব্র হয়েছে কর্মচারী মহলে (DA Case)।

অগস্ট মাসের প্রথম ভাগে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত মিশ্রর বেঞ্চে টানা কয়েকদিন ধরে ডিএ মামলার শুনানি চলেছিল। এরপর কিছুদিন বিরতির পর মামলাটি ফের তালিকাভুক্ত হয়। ১২ অগস্ট তারিখে রাজ্যের পক্ষ থেকে ফের বক্তব্য রাখার কথা থাকলেও আইনজীবী কপিল সিবল অন্য মামলায় ব্যস্ত থাকায় সেদিন তিনি হাজির হতে পারেননি। ফলে আদালত শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করে ২৬ অগস্ট।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal

কিন্তু এদিন শুনানিকে ঘিরে আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। কারণ, বেঞ্চে পরিবর্তন ঘটেছে। বিচারপতি প্রশান্ত মিশ্রর জায়গায় এসেছেন বিচারপতি সন্দীপ মেহতা। যদিও তিনি আগেও বিচারপতি সঞ্জয় কারোলের সঙ্গে ডিএ মামলার শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন, তবে মামলার সমস্ত খুঁটিনাটি সম্পর্কে বিচারপতি মিশ্রর মতো বিস্তৃত ধারণা তাঁর নেই। এই পরিস্থিতিতেই আবার পিছিয়ে গেল মামলার শুনানি (DA Case)।

Related Articles