Campus Tragedy: অধ্যাপকের লালসার শিকার ছাত্রী, বিচারের দাবিতে কলেজের মধ্যেই নিজের গায়ে আগুন
She's now in critical condition. Outrage grows over campus safety and women's rights.
Truth Of Bengal: বিজেপি শাসিত রাজ্যে আবারও নারী নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে (Campus Tragedy)। ওড়িশার বালেশ্বরে এক কলেজ ছাত্রী অধ্যাপকের যৌন হেনস্থার শিকার। বিচার না পেয়ে কলেজ ক্যাম্পাসেই নিজের গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে, বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ওই দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।
Another shocking incident from Odisha:
A female student of FM University was sexually harassed by the HoD. Despite repeated pleas to the principal, justice was denied — and she was forced to self-immolate.In the BJP Vikhsit Bharat model that there’s no justice for India’s… pic.twitter.com/J9GzIMqTVT
— Dr. Shama Mohamed (@drshamamohd) July 13, 2025
জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে কলেজের এক অধ্যাপক ছাত্রীটিকে যৌন হেনস্থা করেন। ছাত্রী লিখিতভাবে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করলেও তদন্তে গতি আসেনি। হতাশা ও ক্ষোভে শনিবার কলেজে গিয়ে আরেক অধ্যাপকের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কিন্তু সেখানেও আশার কোনও আলো না দেখে, ভরা ক্যাম্পাসে নিজের গায়ে আগুন লাগিয়ে দেন (Campus Tragedy)।
Both the Odisha Education Minister and Centre Education Minister have been tagged in this tweet on July 1 but nobody listened to her pleas.
She has even put the photo of the Assistant Professor who assaulted her and blackmailed her.
Now she is fighting for life with 90% burns https://t.co/iZgiuQhM2J
— ଶିଶୁପାଳଗଡ଼ (@sisupalagarha) July 13, 2025
তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন আরও এক ছাত্রী। দু’জনকেই দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা খবর, মূল ভুক্তভোগী ছাত্রীর শরীরের প্রায় নব্বই শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা সংকটজনক।
ঘটনার পর উত্তাল কলেজ ক্যাম্পাস। ছাত্রছাত্রীদের দাবি, অভিযুক্ত অধ্যাপকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে এবং প্রশাসন যেন অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে। অবশেষে ঘটনার চাপের মুখে বালেশ্বর পুলিশ অভিযুক্ত অধ্যাপককে গ্রেফতার করেছে এবং একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে (Campus Tragedy)।
[আরও পড়ুন: Supriya Das: আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্সে ছয়টি পদক জিতে দেশকে গর্বিত করলেন মালদার গৃহবধূ সুপ্রিয়া দাস]
এই ঘটনাটি বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে নারীদের প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতার আরেকটি উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে। বিরোধী দলগুলি অভিযোগ করেছে, “বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও” শ্লোগানের পেছনে আসল সত্য লুকিয়ে আছে। নারী সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। বলছেন, আইন শৃঙ্খলার সম্পূর্ণ ব্যর্থতার প্রমাণ দিচ্ছে ওড়িশা প্রশাসন (Campus Tragedy)।






