রাজ্যের খবর

কোন কোন বুথে ফের ভোট? ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা নিয়ে এল বড় আপডেট

১৫ বুথে ফের ভোট! ইভিএমে ‘আতর’ ও টেপ রহস্যে কড়া সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

Truth of Bengal: দ্বিতীয় দফার ভোটের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজ্যের নির্বাচনী আবহে ফের নতুন মোড়। ইভিএমে কারচুপির অভিযোগের ভিত্তিতে রাজ্যে পুনর্নির্বাচনের (Re-poll) দাবি জোরালো হয়েছিল আগেই। এবার সেই দাবির প্রেক্ষিতে ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত করল নির্বাচন কমিশন। ইভিএমে কারচুপির প্রমাণ এবং প্রশাসনিক রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এই বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে কমিশন।

কমিশন সূত্রে খবর, ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর মাখানোর মতো গুরুতর অভিযোগ যে ১৫টি বুথে উঠেছে, সেখানে পুনর্নির্বাচন ছাড়া স্বচ্ছতা বজায় রাখা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। গতকাল রাত পর্যন্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত নির্বাচনী এলাকার স্ক্রুটিনি চালিয়েছেন এবং সেই রিপোর্ট সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে পাঠিয়েছেন। সূত্রের খবর, ওই ১৫টি বুথের বিষয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা পড়ার পরেই আজ পুনর্নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে পারে।

কোন কোন এলাকায় পুনর্নির্বাচন?

কমিশন সূত্রে পাওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী:

  • ডায়মন্ড হারবার: ৪টি বুথে।

  • মগরাহাট পশ্চিম: ৬টি বুথে।

  • ফলতা: ৫টি বুথে।

অর্থাৎ মোট ১৫টি বুথ আপাতত পুনর্নির্বাচনের তালিকায় রয়েছে। তবে, রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে ফলতার প্রতিটি বুথেই পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছিল। কমিশন সেই সব বিষয়ও খতিয়ে দেখছে।

অন্যদিকে, রাজ্যের সব জেলায় যে পুনর্নির্বাচন হবে না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে কমিশন। উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা, নদিয়া এবং পূর্ব বর্ধমানের ক্ষেত্রে পুনর্নির্বাচনের কোনও সম্ভাবনা আপাতত নেই বলেই জানানো হয়েছে। কমিশন মনে করছে, এই জেলাগুলোতে ভোটের প্রক্রিয়া নিয়ে বড় ধরনের কোনও অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি।

বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর পাঠানো রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে বুথগুলোতে ইভিএম সিল করা ছিল না বা যেগুলোর ওপর টেপ-আতর মাখানোর মাধ্যমে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর সত্যতা যাচাই করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪ মে-র ফল ঘোষণার আগে এই পুনর্নির্বাচনের প্রক্রিয়া রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও কতটা বাড়ায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

Related Articles