লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকায় জীবন্ত দুর্গাদের মুখে হাসি ফোটাল প্রমিলাবাহিনী
বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় মা চামুণ্ডা কালী মন্দির প্রাঙ্গণে, যেখানে শতাধিক অসহায় মানুষের মুখে ফুটে ওঠে প্রশান্তির হাসি।
Truth Of Bengal:কৈলাস বিশ্বাস, বাঁকুড়া : শারদীয়ার আগমনের প্রাক্কালে এক অসাধারণ মানবিক উদ্যোগের সাক্ষী রইল বাঁকুড়ার সোনামুখী পৌর শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড। জীবন্ত দুর্গার মতো বহু অসহায়, দুস্থ নারী যখন সমাজের কোণায় কোণায় নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে ব্যস্ত, তখন তাদের মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে এলেন এই ওয়ার্ডের প্রমিলাবাহিনী।(Bankura)
বছরভর রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প থেকে পাওয়া অর্থ সঞ্চয় করে প্রায় ২০০ জন দুস্থ মহিলার হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেন ওয়ার্ডের মহিলারা। এই মহৎ উদ্যোগে নেতৃত্ব দেন বিশিষ্ট সমাজসেবী বাবলি গোস্বামী। বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় মা চামুণ্ডা কালী মন্দির প্রাঙ্গণে, যেখানে শতাধিক অসহায় মানুষের মুখে ফুটে ওঠে প্রশান্তির হাসি।(Bankura)
আরও পড়ুনঃ বিপর্যয়ের মুখে দুর্গাপুজো! ফের ভিজবে কলকাতা সহ গোটা বাংলা
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল একটি অভিনব উপস্থাপনা— এক মহিলা সেজে এলেন মা লক্ষ্মীর বেশে, হাতে লক্ষ্মীর ভাঁড়। উপস্থিত সকলে যেন এক ঝলক দেবী দর্শনের অনুভূতি পেলেন। মর্ত্যে যেন স্বয়ং মা লক্ষ্মী নেমে এসেছেন আশীর্বাদ দিতে।(Bankura)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/
বাবলি গোস্বামী জানান, তাঁদের এই কর্মকাণ্ডের মূল অনুপ্রেরণা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সমাজসেবা, দরিদ্র মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার থেকেই শিক্ষা নিয়ে এই উদ্যোগ। লক্ষ্মীর ভান্ডারের অর্থ সঠিক জায়গায় ব্যবহার করে তাঁরা যেন সত্যিকারের “মা লক্ষ্মী” হয়ে উঠলেন অসহায়দের জন্য।(Bankura)
এই মানবিক প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সোনামুখীর সাধারণ মানুষ। প্রমিলাবাহিনীর এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সমাজে মানবিকতা ও সহমর্মিতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।






