কাশ্মীরে পালিয়েও শেষরক্ষা নয়, গ্রেফতার বারাকপুরের নেতা নওশাদ আলম
দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রভাব খাটানোর মতো একাধিক অভিযোগ উঠছিল
Truth of Bengal: কাশ্মীরে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না। দীর্ঘদিন ধরে তোলাবাজি, হুমকি-সহ একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা নওশাদ আলমকে সুদূর কাশ্মীর থেকে গ্রেপ্তার করল ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ। তাঁর গ্রেপ্তারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই ব্যারাকপুর এলাকায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। নওশাদ আলম উত্তর ২৪ পরগনার দমদম-ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা সংখ্যালঘু সেলের প্রাক্তন সভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ব্যারাকপুর পুরসভার প্রাক্তন পুরপিতাও। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রভাব খাটানোর মতো একাধিক অভিযোগ উঠছিল।
গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যে পালাবদল ঘটে। তৃণমূলকে হারিয়ে বিজেপি প্রথমবার বাংলায় ক্ষমতায় আসে এবং শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হন। ফল ঘোষণার পর থেকেই নওশাদ আলম গা ঢাকা দেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে গোয়েন্দাদের সন্দেহ ছিল, নওশাদ বাংলার বাইরে কোথাও আত্মগোপন করে থাকতে পারেন। পরে তাঁদের কাছে খবর আসে, তিনি কাশ্মীরে লুকিয়ে রয়েছেন। সেই সূত্র ধরেই ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দারা কাশ্মীরের উদ্দেশে রওনা দেন। বিশেষ অভিযান চালিয়ে সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় নওশাদ আলমকে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত তৃণমূল নেতাকে ট্রানজিট রিমান্ডে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তোলাবাজি, হুমকি এবং অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করতে চান তদন্তকারীরা। নওশাদের গ্রেপ্তারির পর ব্যারাকপুরের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।






