বারুইপুরের পুনরাবৃত্তি গাইঘাটায়! ঘটনার পুনর্নির্মাণে গিয়ে এনকাউন্টার অভিযুক্ত
সোমবার রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণ শেষে ফেরার পথে পুলিশের সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত।
Truth of Bengal: গাইঘাটায় ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্তের মৃত্যু পুলিশের গুলিতে। মৃত যুবকের নাম প্রহ্লাদ দাস। পুলিশের দাবি, সোমবার রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণ শেষে ফেরার পথে পুলিশের সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। বাধা দিলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালান তিনি। পাল্টা আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ হন প্রহ্লাদ। গুরুতর অবস্থায় বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন বলে দাবি।
রবিবার গাইঘাটায় এক কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয় প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে। পরিবারের অভিযোগ, কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ওই পরিবারের আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভও হয়। তদন্তে সিট গঠন করে পুলিশ।
এই ঘটনায় ফের সামনে এল পুলিশের এনকাউন্টার ঘিরে বিতর্ক। এর আগে গত জুলাইয়ে বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু হয় পুলিশের গুলিতে। পুলিশের দাবি ছিল, ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। সেই এনকাউন্টার ঘিরে প্রশ্ন ওঠে এবং হাই কোর্টে মামলাও দায়ের হয়।






