
The Truth of Bengal: নন্দীগ্রামবাসীকে স্বনির্ভরতায় সাহায্য করছে প্রশাসন। অনেকেই নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আর্থিকভাবে বলিয়ান। যার অন্যতম নজির নন্দীগ্রামের জয়দেব মুনিয়ান। এখন সামান্য মাছ ব্যবসা থেকে ৬-৬ বিঘে জমির মালিক তিনি। স্বচ্ছল, সবল হওয়ার পথে প্রশাসন যেভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে তাতে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষ সরকারি প্রকল্পের কথা বড়মুখ করে বলছেন। বাম আমলের পিছিয়ে পড়া দশা থেকে নন্দীগ্রামকে বের করে আনতে রাজ্য সরকার লক্ষ্য নেয়। উন্নয়নকে পাখির চোখ করে রূপায়ণ করা হয় নানা প্রকল্প। যার সুফল হাতে হাতে পাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। আত্মনির্ভরতার সঙ্কল্প নিয়ে সমাজের একজন হয়ে উঠছেন অনেকেই।]
তাঁদেরই একজন হলেন নন্দীগ্রামের জয়দেব মুনিয়ান। সিপিএম সরকারের আমলে তাঁকে নন্দীগ্রামের মাটির মায়া ত্যাগ করে কলকাতায় চলে আসতে হয়। লোকের বাড়িতে কাজ করে পেট চালাতে হয়েছিল দরিদ্র এই মানুষটিকে।পরে ২৮ টাকা দিয়ে মাছের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। সরকারি সাহায্যে ও নিজের চেস্টায় আজ ৬ বিঘা জমির মালিক এখন তিনি। বাঙালি ব্যবসা বিমুখ।একথা ভুল প্রমাণ করে লক্ষ্মীলাভের ঝাঁপি খুলেছেন তিনি। সরকারের দেওয়া নানা সামগ্রী আর সাহায্যকে সঙ্গী করেই জীবনের লড়াইতে তিনি। সোনাচূড়া এলাকার মাছ ব্যবসায়ীর সোনালী ভবিষ্যতের কথা শুনে অন্যরাও এগিয়ে আসতে চান।
নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের মৎস্য বিভাগ উদ্যোগীদের উৎসাহীত করে চলছে। সহায়তা করছে আর্থিক থেকে নানা সামগ্রী দিয়ে। মাছ চাষি, মাছ বিক্রেতারা, যেমন উৎসাহীত হচ্ছে তেমনি অনেক মানুষ নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে নতুন দীশা পাচ্ছে। সম্প্রতি নন্দীগ্রাম-১ ব্লক মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে মাছ ফেরিওয়ালাদের জন্য প্রকল্প রূপায়ন করেছে।যার হাত ধরে সমাজের বদল আনার ভাবনা কার্যকর হচ্ছে। মাটি কামড়ে যাঁরা লড়াই করেন, যাঁরা স্বপ্নের সোপানে পা রেখে উন্নতির দিশা দেখছেন তাঁদের কাছে এই সরকারি প্রকল্প সাধুবাদ জানাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার,মত্সজীবীদের কল্যাণে সদিচ্ছা দেখানোয় তৃণমূল স্তরের মানুষের আর্থ-সামাজিক রূপান্তরও হচ্ছে। তাই জমিআন্দোলেন আঁতুড়ঘর নন্দীগ্রাম এখন আর্থিক বিকাশের সূর্যোদয়ের ভূমি হয়ে উঠছে।






