
The Truth of Bengal: সন্ত্রাসের আবহের সেই কালো দিন আগেই কেটে গিয়েছে। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর জঙ্গলমহল হাসছে। এই জেলার ছেলেমেয়েরা সর্বক্ষেত্রে দেখিয়ে চলেছে তাদের সাফল্য। মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত জিৎ কুনেডু মার্শাল আর্টসে দুটি সোনা, একটি রূপো ও একটি ব্রোঞ্জ জিতে ঘরে ফিরল ঝাড়গ্রামের ছয় প্রতিযোগী।
‘মাও-আঁতুরঘর’ জঙ্গলমহলে এখন আর নেই আতঙ্ক। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাম শাসনের অবসানের পর বদলে গেছে জঙ্গলমহলের ছবিটাই। হাসছে জঙ্গলমহল। লেখাপড়া-খেলাধুলা সহ সর্বক্ষেত্রেই রাজ্যের অন্যান্য জেলাকে সমানে সমানে টক্কর দিচ্ছে এই জেলা। ঝাড়গ্রামের পিছিয়ে পড়া যুবসমাজকে মাঠমুখী করতে ও শরীরচর্চায় উৎসাহ দিতে ঝাড়গ্রামের বহু মানুষ এগিয়ে এসেছেন। যার মধ্যে অন্যতম ঝাড়গ্রামের বাসিন্দা শিপু রবি সাহা। দীর্ঘদিন ধরে জিৎ কুনেডু মার্শাল আর্টস শিখিয়ে আসছেন ঝাড়গ্রামের যুবক-যুবতীদের।
তাঁর প্রশিক্ষণে মুম্বইয়ে আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল জিৎ কুনেডু মার্শাল আর্টসে অংশ নিয়ে সফল হল বেশ কয়েকজন প্রতিযোগী। এই প্রতিযোগিতায় ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান সহ আরও অন্যান্য দেশের ২৫০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছিল। ঝাড়গ্রামের ৬ প্রতিযোগী তাক লাগিয়ে দিয়েছে এই প্রতিযোগিতায়। অন্যান্য প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলে চারজন সোনার পদক জয় করে।
এছাড়াও একজন রুপোর পদক ও একজন ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে। কোচ সিপু রবি সাহা বলেন, জঙ্গলমহলে যে প্রতিভা লুকিয়ে রয়েছে তার প্রমাণ করে দিয়েছে এরা। মুম্বইয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলার ছেলে মেয়েরা সাফল্য দেখিয়েছে। সাফল্য দেখিয়েছে জঙ্গলমহলের ছেলেমেয়েরা। ঘরে তুলে এনেছে সোনার মেডেল। তাঁদের সাফল্যে খুশি ঝাড়গ্রামের বাসিন্দারা। কোচ সিপু রবি সাহা জানান, পিছিয়ে নেই জঙ্গলমহল। প্রতিটি বাড়িতেই প্রতিভা লুকিয়ে রয়েছে।






