Mamata Banerjee: এবার মমতার চাপে মাথানত হরিয়ানার ডবল ইঞ্জিন সরকারের, মুক্তি পেলেন ৩০ জন
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটিকে ঘাসফুল শিবিরের এক বড় জয় বলে মনে করছেন বাংলার রাজনৈতিক মহল।
Truth of Bengal: ফের কাজে এলো বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গর্জন। রাজস্থানের পর এবার হরিয়ানা সরকারের অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পেলেন বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকরা। বলা ভালো চাপের মুখে মাথানত করতে বাধ্য হলো সেই রাজ্যের বিজেপি সরকার এবং ছেড়ে দেওয়া হল ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে থাকা ৩০ জনকে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটিকে ঘাসফুল শিবিরের এক বড় জয় বলে মনে করছেন বাংলার রাজনৈতিক মহল।(Mamata Banerjee)
[আরও পড়ুনঃ Stokes Century: রুটের পর স্টোকস, শতরান করে ছুঁলেন কিংবদন্তিদের]
এই মুহূর্তে বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম আলোচনার বিষয় বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাঙ্গালীদের হেনস্তা ও নির্যাতন। ইতিমধ্যেই এই ইস্যু নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সদ্য শেষ হওয়া ২১শে জুলাই সভা থেকেও তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে এমনটা ভবিষ্যতে ঘটলে তিনি ও গোটা তৃণমূল কংগ্রেস দল ছেড়ে কথা বলবে না। তৃণমূল সুপ্রিমো বুঝিয়ে দেন কেমন ভয়ংকর পরিণতি হতে পারে।(Mamata Banerjee)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/]
এরপরই হরিয়ানা সরকারের তরফ থেকে ছেড়ে দেওয়া হল ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রাখা বাংলার ৩০ জন পরিযায়ী শ্রমিককে। জানা গিয়েছে, শীঘ্রই তাঁরা নিজেদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। প্রসঙ্গত, অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যের মতো হরিয়ানা সরকারের পুলিশের বিরুদ্ধেও বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখার অভিযোগ উঠেছিল। এরপরই রাজ্য পুলিশের কাছে চিঠি পাঠানো হয় এবং আটকদের নাগরিকত্বের নথি চাওয়া হয়। তারপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই ব্যাপারে সরব হন। সেই চাপের পরই তাঁদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। এবার দেখার বিষয় আগামী দিনে এই পর্ব কোনদিকে যায়।(Mamata Banerjee)






