Kali Puja: নৈহাটির বড়মার পুজোর সময়সূচি প্রকাশ, ভোগের জন্য থাকছে একাধিক কাউন্টার
বৈঠকের পর মুরলীধর শর্মা জানান, কালীপুজোর দিনগুলিতে নৈহাটি স্টেশন থেকে 'ওয়ানওয়ে সার্কুলেশনের' মাধ্যমে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
Truth of Bengal: আর মাত্র ক’দিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে বাঙালির অন্যতম বড় উৎসব কালীপুজো। উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটির ঐতিহ্যবাহী বড়মা কালীপুজো ঘিরে প্রতি বছরের মতো এবারও লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হবে বলে জানা যাচ্ছে। অমাবস্যার রাতে নৈহাটির বড়মাকে দর্শন এবং মানত করতে হাজারে হাজারে মানুষ ভিড় করবেন। এই বিপুল ভক্ত-দর্শনার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের ভোগান্তি কমানো এখন প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা সোমবার নৈহাটি রেল স্টেশন-সহ সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। তার সঙ্গে ছিলেন অন্যান্য পুলিশ কর্তা এবং নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়। পরিদর্শনের পর স্টেশন চত্বরে রেলের কর্তাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও করেন পুলিশ কমিশনার (Kali Puja)।
বৈঠকের পর মুরলীধর শর্মা জানান, কালীপুজোর দিনগুলিতে নৈহাটি স্টেশন থেকে ‘ওয়ানওয়ে সার্কুলেশনের’ মাধ্যমে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা হবে। রেলযাত্রীরা সাবওয়ে ব্যবহার করে স্টেশন থেকে বেরোবেন, কিন্তু ট্রেন ধরার জন্য তাদের স্টেশনের দক্ষিণ দিকের ফুটব্রিজ ব্যবহার করতে হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই দিনগুলিতে ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে নৈহাটি লোকাল ছাড়বে না। তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য রেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। পুজোর কয়েক দিন রেল, ডিএমজি, ফায়ার, ইলেকট্রিক, পিডব্লিউডি-সহ বিভিন্ন দপ্তর নিয়ে একটি জয়েন্ট কন্ট্রোল রুম থাকবে, যাতে দ্রুত যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়।
প্রতিবারই নির্ঘণ্ট মেনে নৈহাটির বড়মার পুজো হয়। জানা গিয়েছে, এবার কালীপুজোর রাতে ঠিক রাত ১২টায় বড়মার পুজো শুরু হবে, যদিও প্রস্তুতি চলবে আগে থেকেই। রাত আড়াইটার সময় অঞ্জলী হবে এবং উপস্থিত ভক্তরা চাইলে সেসময় অঞ্জলী দিতে পারবেন। পুজো উপলক্ষে বিশাল ভোগের আয়োজন করা হয়। ভক্তদের কথা চিন্তা করে প্রসাদ বিতরণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে। ভোগের জন্য দু’টি কাউন্টার এবং সন্দেশ-প্রসাদ দেওয়ার জন্য আরও দু’টি কাউন্টার রাখা হবে। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুজো গ্রহণের জন্য ১৭ তারিখ থেকে তিনটি কাউন্টার খোলা থাকবে এবং কালীপুজোর দিন অর্থাৎ ২০ তারিখ চারটে কাউন্টার খোলা থাকবে (Kali Puja)।
বড় কালীপুজো সমিতির সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, এই বছর মণ্ডপ-সহ সমগ্র এলাকায় তিনশোর বেশি স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন থাকবেন। এছাড়াও ৮০টির বেশি সিসি ক্যামেরায় সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে। গঙ্গার ঘাট, মন্দির এবং নৈহাটি স্টেশন চত্বরে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি করে এলইডি স্ক্রিন থাকবে। বর্তমানে নৈহাটি রেল স্টেশন সংলগ্ন অরবিন্দ রোডে জোরকদমে চলছে একুশ হাত বড়মার প্রতিমা তৈরির কাজ, যা দেখতে প্রতিদিনই সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন উৎসাহী মানুষজন (Kali Puja)।






