প্রবল বৃষ্টির দাপটে ফের ভেঙে পড়ল মাটির বাড়ি, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন পুরো পরিবার
বিকাল থেকেই ঘরের মাটি ঝরতে শুরু করেছিল

The Truth of Bengal: দামাল বৃষ্টিতে ফের একবার ভেঙে পড়ল মাটির বাড়ি। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে, চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের শ্যামগঞ্জ গ্রামে। হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও, পুরো পরিবার এখন রাস্তায়। এর জেরে, আতঙ্ক ছড়িয়েছে গ্রামের মধ্যে। যাঁদের মাটির বাড়ি রয়েছে, তাঁরা প্রহর গুনছেন কোনও অঘটনের।
বাড়ির মালিক নূর মহম্মদ আলি জানিয়েছেন, বিকাল থেকেই ঘরের মাটি ঝরতে শুরু করেছিল। তখন থেকে বাড়ির প্রত্যেককে সতর্ক থাকার কথাও বলা হয়। আশঙ্কা ছিল রাতের দিকেই বাড়ি ধসে পড়ার। সেইটাই হল। বাড়ির সবাই কোনওভাবে প্রাণ নিয়ে বেরিয়ে আসে। ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিছু বাইরে বের করার সুযোগ হয়নি। এখন অন্যের বাড়িতে পুরো পরিবার থাকতে শুরু করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, এই গ্রামে অনেকের মাটির বাড়ি রয়েছে। প্রশাসন কাছে আর্জি রাখা হয়েছে, তারা যেন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিচার করেন। তাঁদের আবেদন, গ্রামের কাঁচা মাটির বাড়িগুলি যে অবস্থায় রয়েছে, এমন বৃষ্টি চলতে থাকলে, দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। তাই অবিলম্বে প্রশাসনের তরফে পদক্ষেপ করা হোক।
প্রসঙ্গত, দুদিন আগেই বাঁকুড়ায়, দেওয়াল চাপা পড়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরের দিন এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে ঘরের দেওয়াল চাপা পড়ে। বীরভূমেও একই চিত্র দেখা গিয়েছিল। একশো দিনের কাজ, আবাস যোজনার টাকা কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ায় দিল্লিতে আন্দোলনও শুরু করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কাঠগড়ায় তুলেছেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রীকে। তিনি বলেছেন, এই মৃত্যুর জন্য দায়ী কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী গিরিরাজ সিং।


