“১৫ বছর চুপ থাকুন, প্রায়শ্চিত্ত করুন!” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শ দিলীপ ঘোষের
গত দেড় দশকে বিভিন্ন ভুল ত্রুটির জন্য আত্মসমালোচনা করে মানুষের কাছে অপরাধ স্বীকার করার কথাও বলেন তিনি
Truth of Bengal: রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগামী ১৫ বছর ‘চুপ করে থাকা’ ও প্রায়শ্চিত্ত করার পরামর্শ দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। একইসঙ্গে গত দেড় দশকে বিভিন্ন ভুল ত্রুটির জন্য আত্মসমালোচনা করে মানুষের কাছে অপরাধ স্বীকার করার কথাও বলেন তিনি।
শনিবার মেদিনীপুরের খড়গপুরে এক প্রাতভ্রমণ ও চা-চক্রে যোগদান করে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ শানান দিলীপ ঘোষ। তিনি দাবি করেন, জনরোষের মুখে পড়ে এখন তৃণমূলের বহু নেতা ও জনপ্রতিনিধি প্রকাশ্যে আসতে ভয় পাচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, “জনরোষ কী জিনিস সেটা এখন বোঝা যাচ্ছে। রাস্তাঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে চোর শুনতে হচ্ছে। ১৫ বছর রাজত্ব করার পর যদি এটাই পুরস্কার হয়, তাহলে তাঁর অন্তত উপলব্ধি করা উচিত যে তিনি কী করেছেন। এবার ১৫ বছর চুপ করে থাকুন, প্রায়শ্চিত্ত করুন এবং মানুষের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করুন।” সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা একটি সাংগঠনিক সভায় দলের বহু সদস্যের অনুপস্থিতি নিয়েও এদিনের অনুষ্ঠানে কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। একইসঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের কার্যালয়ে প্রধান, সভাপতি এবং সদস্যদের অনুপস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বর্তমান পঞ্চায়েত মন্ত্রী।
জনপ্রতিনিধিদের এই গড়হাজিরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বহু জনপ্রতিনিধিই ভালোমতো জানেন যে তাঁরা ভোট লুট করে ক্ষমতায় এসেছেন, আর সেই কারণেই এখন সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়ার ভয়ে অনেকে অফিসে আসছেন না। তবে জনপ্রতিনিধিরা না এলেও গ্রামীণ এলাকার প্রশাসনিক কাজ কোনোভাবেই থমকে থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। তাঁর সাফ বক্তব্য, যেখানে প্রধান বা সভাপতিরা কাজে যোগ দিচ্ছেন না, সেখানে সরকারি আধিকারিকদের দিয়েই প্রশাসনিক কাজ চালানো হবে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনে সরকার পরবর্তীতে নতুন নির্দেশিকা জারি করবে।






