কলকাতারাজ্যের খবর

পুজো শেষেই বাংলায় দুর্যোগের ভ্রুকুটি! ২৮-৩০ অক্টোবর ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের পূর্ব-মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থানরত নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

Truth of Bengal: দুর্গাপুজো মিটতেই বাংলার আকাশে দুর্যোগের আশঙ্কা। বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ, যা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। এর জেরে আগামী ২৮ থেকে ৩০ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা। ২৭ অক্টোবর থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। গভীর সমুদ্রে থাকা মৎস্যজীবীদের ২৬ অক্টোবরের মধ্যে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের পূর্ব-মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থানরত নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এরপর সেটি গভীর ও অতি-গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ২৬ অক্টোবর নাগাদ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। সম্ভাব্য গতিপথ উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে। আবহাওয়াবিদদের অনুমান, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়ার কাছে স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে। তবে এর গতিপথ ও শক্তি সম্পর্কে পরবর্তী পূর্বাভাস গুরুত্বপূর্ণ।

২৬ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলার জেলাগুলিতে মূলত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। ২৭ অক্টোবর বিকেল থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি শুরু হতে পারে। পরদিন বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বৃহস্পতিবারও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার থেকে বৃষ্টির দাপট কমতে পারে।

উত্তরবঙ্গেও আবহাওয়ার পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। ২৮ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ২৯ অক্টোবর দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মালদহ এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

Related Articles