Truth of Bengal: অটো ও টোটোর দাপটে একাধিক রুটে বন্ধ হয়ে গেল বাস পরিষেবা। বীরভূম জেলার সিউড়ির বাস মালিকরা বাধ্য হয়েছেন এইসব রূটে বাস বন্ধ করতে। তাদের অভিযোগ যাত্রী না পাওয়ার কারণে লোকসানে চালাতে হচ্ছে বাস। জ্বালানির খরচ পর্যন্ত উঠছে না। এমনকি বাস রক্ষণাবেক্ষণের খরচও উঠছে না (Bus Crisis Sainthia)।
বীরভূম জেলার একটি ব্যস্ততম শহর সিউড়ি ও সাঁইথিয়া। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াতের জন্য সাধারণ মানুষকে বাস ধরতে হয় এখান থেকেই। তবে গত কয়েক মাসে সিউড়ি, সাঁইথিয়া থেকে চলাচলকারী একাধিক রুটের বাস বন্ধ হয়ে গিয়েছে। প্রায় ২০-৩০ টা বাস বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে দাবি বাস মালিক সংগঠন গুলির। অভিযোগ সাঁইথিয়ার সর্বত্র বেলাগাম অটো ও টোটো চলাচল। কাছাকাছি রুটের বাসে যাত্রী একেবারেই মিলছে না। একমাত্র দূরপাল্লার বাস ছাড়া যাত্রী পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে (Bus Crisis Sainthia)। বাধ্য হয়ে তাই একাধিক রুটের বাস পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। বাস মালিকদের অভিযোগ, বাস চালাতে যে জ্বালানি খরচ হয় সেই টাকা পর্যন্ত উঠছে না। এমনকি বাসের টায়ার-টিউব বদলের খরচ উঠছে না। দোকানে ধার মেটানো যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন: Cyber Alert: পুলিশকে সতর্ক হওয়ার নিদান অধ্যক্ষের
কাছাকাছি দূরত্বে যাওয়ার ক্ষেত্রে যাত্রীদের প্রথম পছন্দ টোটো বা অটো। আর তা হাতের নাগালেই মিলে যায়। বাড়ি থেকে বেড়িয়েই টোটো ধরে গন্তব্যে পৌঁছানো সহজ। যাত্রীদের বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত আর আসতে হয় না। আবার অল্প খরচে গন্তব্যে পৌঁছানো যায়। এই প্রেক্ষিতে দিনের পর দিন যাত্রী সংখ্যা কমছে বাসের। সিউড়ি ও সাঁইথিয়া শহরের নাগরিকদের কম দূরত্বে যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ টোটো ও অটো।সিউড়ির মসজিদ মোড় এলাকায় এখন অধিকাংশ সময় কেউ বাসের জন্য অপেক্ষা করেন না। হাতের কাছে অটো বা টোটো যা পান তাতে চেপেই গন্তব্যে রওনা দেন। মাত্র ২০-৩০ টাকায় পৌঁছে যেতে পাচ্ছেন সাঁইথিয়ায়। যাত্রাও আরামদায়ক। এর ফলে বাস মালিকদের মাথার চিন্তার ভাঁজ। বাস মালিকা বলছেন, বাস চালিয়ে উঠছে না ড্রাইভার ও খালাসীর টাকা।
Truth of Bengal: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/
এরকমই নানান সংকটের মুখে বাস মালিকেরা। আগামী দিনে এই শিল্পের মধ্যে তারা থাকবেন কিনা চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছেন। বাস মালিকরা বলছেন প্রতিদিন লোকসান হলে তো যাত্রী পরিষেবা বন্ধ করতেই হবে। তাদের দাবি অটো ও টোটোর জন্য নির্দিষ্ট রুট বেঁধে দেওয়া হোক (Bus Crisis Sainthia)। গ্রামের টোটো গ্রামে ও শহরেরটা শহরে চলুক। অটো যেন নির্দিষ্ট রুটের বাইরে না যায় সেটাও দেখা হোক। টোটো ও অটোর ক্ষেত্রে প্রশাসন নির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে বাস পরিষেবা আগামী দিনে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন বাস মালিকরা।






