ভ্রমণ

ভিড় এড়িয়ে নির্জনে ছুটি কাটাতে চান? কালিম্পংয়ের এই গোপন গ্রাম থেকেই মিলবে কাঞ্চনজঙ্ঘার সেরা ভিউ!

নেওড়া ভ্যালি উপত্যকার সবুজের সমারোহের মধ্যে কালিম্পংয়ের পাবং গ্রাম হল এমনই এক জায়গা। সবুজের আড়ালে নিজেকে হারিয়ে ফেলা যায় পাবংয়ে এলে।

Truth of Bengal: ঘুরতে ভালোবাসে না এমন মানুষ খুবই বিরল। শীতে ঘুরতে যাওয়ার কথা বললেই সকলের মনে প্রথমেই আসে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ের কথা। কিন্তু ভিড়ে ঠাসা দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং পাহাড় এড়িয়ে নাগরিক কোলাহল থেকে দূরে থাকতে আপনি পরিজনদের সঙ্গে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন কালিম্পংয়ের স্বল্প পরিচিত পাবং গ্রাম থেকে। এখন অনেকেই অফবিট পর্যটন কেন্দ্রে বেড়াতে যান যেখানে কোলাহল থেকে দূরে থেকে প্রাণভরে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করা যায়। নেওড়া ভ্যালি উপত্যকার সবুজের সমারোহের মধ্যে কালিম্পংয়ের পাবং গ্রাম হল এমনই এক জায়গা। সবুজের আড়ালে নিজেকে হারিয়ে ফেলা যায় পাবংয়ে এলে।

সকালে পাহাড়ি নাম না জানা পাখির ডাকে ঘুম ভেঙে উঠে হোম স্টে’র ঘর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সূর্যোদয় দেখে মন ভরে যায়। অনাবিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। পাইন, ওক, কমলালেবু বাগান, রডোডেনড্রন ঘেরা ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম পাবং। সমুদ্রতল থেকে ৩৯০০ ফুট উঁচু পাহাড়ি গ্রাম পাবং পুরোপুরি সবুজে ঢাকা। পাবংয়ে খুব বেশি সংখ্যক মানুষের বাস নেই। একেবারে নিরিবিলি পরিবেশ। পাখির কলরবে ঘুম ভাঙবে। Minivet, Sunbird, Roller, Swallow, Thrush, Warbler এর মতো নানান প্রজাতির পাখির দেখা মিলবে পাবংয়ের নির্জন প্রকৃতির সান্নিধ্যে।

পাবংয়ে এলে বরফাচ্ছাদিত কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্য, কুয়াশা ঢাকা সকালে সঙ্গীর হাত ধরে হেঁটে আঁকাবাঁকা পাকদণ্ডী পথ পেরিয়ে গেলেই হারিয়ে যাবেন এক অদ্ভুত মুগ্ধতায়। চারপাশে রয়েছে জঙ্গল, পাহাড়ি নদী ও ঝোরা। পাবং থেকে ঘুরে আসা যায় চারখোলে, লোলেগাঁও, লাভা, কোলাখাম, রিশপ, কাফেরগাঁও, কালিম্পং। নিউ জলপাইগুড়ি বা বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গাড়ি ভাড়া করে চারখোলে আসা যায়। চারখোল থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাবং।

Related Articles