রাজ্যের খবর

দিঘার কাছে অন্য ডেস্টিনেশন, হারিয়ে যান শঙ্করপুরের নির্জনতায়

পাহাড়, সমুদ্র, নদী,জঙ্গলে মোড়া রাজ্যের একাধিক পর্যটনস্থল। কেউ ছুটি কাটাতে চলে যান পাহাড়ে, আবার কেউ ছুটে যান সমুদ্রে।

Truth Of Bengal: সমুদ্র বরাবরই বাঙালির পছন্দের ডেস্টিনেশন। তবে দিঘার ভিড় এড়িয়ে যদি নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চান তবে আপনার জন্যে আদর্শ জায়গা হতেই পারে শঙ্করপুর। এখানের নির্জন সমুদ্র, সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের অপরূপ দৃশ্য আপনার মন কারবে।

পাহাড়, সমুদ্র, নদী,জঙ্গলে মোড়া রাজ্যের একাধিক পর্যটনস্থল। কেউ ছুটি কাটাতে চলে যান পাহাড়ে, আবার কেউ ছুটে যান সমুদ্রে। তবে দীঘার ভিড় এড়িয়ে যেতে চাইলে আপনার ডেস্টিনেশন হতেই পারে শংকরপুর। নিরিবিলি বিস্তীর্ণ সমুদ্র সৈকত সাথে লাল কাঁকড়ার সারি মন কাড়বে আপনাদের। বিশেষ করে যারা একটু নির্জন নিরিবিলি, একান্ত সৈকত-যাপন পছন্দ করেন তাদের জন্য অন্যতম সেরা ঠিকানা হতে পারে দীঘার পাশেই শঙ্করপুর। দিঘার ভিড় এড়িয়ে শঙ্করপুর নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্যে আদর্শ জায়গা। পরিষ্কার জল, নরম বালি এবং সুন্দর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্যে মন কারবে নিমিষেই। শঙ্করপুরে রয়েছে ক্যাসুরিনা গাছ, দেখতে পাবেন মনোরম সূর্যোদয়,সূর্যাস্ত। এছাড়াও রয়েছে একটি সক্রিয় ফিশিং হারবার, যা পরিবার ও প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য উপযুক্ত।

শঙ্করপুরে থাকার জন্যে রয়েছে একাধিক ঠিকানা। রয়েছে বহু হোটেল, ট্যুরিস্ট লজ এবং রিসর্ট। রয়েছে বেনফিশের অধীনে গেস্ট হাউস এবং ফিশারি বিভাগের আবাসনও পাওয়া যায় থাকার জন্যে। পাশপাশি এই খাওয়ার জন্যেও সুব্যবস্থা রয়েছে। দীঘা থেকে শঙ্করপুরের দূরত্ব প্রায় ১৪ কিমি।কলকাতা থেকে বাসে/গাড়িতে দিঘার দিকে যেতে হবে এবং কাঁথি ও দিঘার মাঝে চোদ্দোমাইল বা চৌলখোলা নামক স্থানে নামতে হবে। দিঘা থেকে গেলে ৩০ মিনিট মত সময় লাগবে। যারা ভিড় এড়িয়ে একটু শান্তিতে, নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইছেন তাদের জন্যে আদর্শ জায়গা শঙ্করপুর। তাই দেরি না করে পরিবার বা প্রিয় বন্ধুদের সঙ্গী করেই বেরিয়ে পড়ুন এক শান্তির সফরের উদ্যেশে।

Related Articles