Marble Lake: পুরুলিয়ার অজানা রত্ন! অযোধ্যা পাহাড়ে লুকিয়ে বাংলার ‘মার্বেল লেক’
আদিবাসী অধ্যুষিত শাল গাছের জঙ্গলে ছাওয়া অযোধ্যা পাহাড়ে বেড়াতে গেলে দেখা মেলে অগুনতি নাম না জানা ঝরনার।
Truth of Bengal: লাল পাহাড়ির দেশ জঙ্গলমহলের জেলা পুরুলিয়ার প্রকৃতি, গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ, টিলা, ঝরনা, সবকিছুই মন টানে আমাদের। পুরুলিয়াতেই লুকিয়ে আছে এক অজানা খাজানা, তা হল অযোধ্যার মার্বেল লেক। হ্রদের টলটলে জল একেবারে স্বচ্ছ। আদিবাসী অধ্যুষিত শাল গাছের জঙ্গলে ছাওয়া অযোধ্যা পাহাড়ে বেড়াতে গেলে দেখা মেলে অগুনতি নাম না জানা ঝরনার। আঁকাবাঁকা ছন্দে ছলাৎছলাৎ শব্দ করে নেমে আসছে জলধারা। বর্ষায় অন্য রকম মোহময় রূপ নেয় এসব ঝরনা (Marble Lake)।
আরও পড়ুন: Mohun Bagan: মোহনবাগান দিবসে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, স্মরণে ফুটবল ইতিহাসের গর্বময় অধ্যায়
অযোধ্যা পাহাড়ের ওপর থেকে বামনি ফলসের দিকে তাকালেই ডানদিকে নীচে দেখা মিলবে টলটলে জলের মার্বেল লেক। দেখলে মনে হবে নীল জলের হ্রদ। তাই স্থানীয় বাসিন্দারা এই হ্রদকে ব্লু ড্যাম বা পাতাল ড্যাম বলে ডাকেন। আলো পড়লে হ্রদের জল নীল দেখায় বলে মনে হবে বাংলার বুকে একখণ্ড ভূমধ্য সাগর। জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প তৈরি হচ্ছিল তখন পাহাড়ে নিয়ন্ত্রিত ভাবে বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছিল। সে সময় আচমকা এই হ্রদ তৈরি হয়। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন এলাকাটিকে ঘিরে যাতে পর্যটনের প্রসার হয় তার জন্য উদ্যোগী হয়েছে। হ্রদের পাশে ক্যাফেটেরিয়া আর ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করা হচ্ছে (Marble Lake)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/
কীভাবে যাবেন
কলকাতা থেকে পুরুলিয়ার রেলপথে দূরত্ব ৩২২ কিমি। ট্রেনে কলকাতা থেকে পুরুলিয়ায় পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা। সড়ক পথেও পৌঁছে যাওয়া যায়। পুজোর ছুটিতে বা শীতের সময় মার্বেল লেকে ঘুরতে যাওয়ার আদর্শ সময়। বর্ষার সময় হড়পা বান আসার ঝুঁকি বাড়ে।






