খেলা

১৯৮৩-র বিশ্বকাপের সঙ্গে মহিলাদের বিশ্বকাপ জয়ের তুলনা করতে নারাজ সানি

অনেকে আবার হরমনপ্রীত-রিচাদের এই সাফল্যকে তুলনা করেছেন লর্ডসের মাঠে ১৯৮৩ সালের ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের সঙ্গেও।

Truth Of Bengal:  সম্প্রতি মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ট্রফি করেছে ভারতের মহিলা ব্রিগেড। তারপরই আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠেছেন গোটা দেশবাসী। অনেকে আবার হরমনপ্রীত-রিচাদের এই সাফল্যকে তুলনা করেছেন লর্ডসের মাঠে ১৯৮৩ সালের ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের সঙ্গেও। কিন্তু এই তুলনা মানতে চাইছেন না প্রাক্তন বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম সদস্য সুনীল গাভাসকর।

সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সানি বলেন, ‘১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ের আগে টিম ইন্ডিয়ার পুরুষ দল কখনও গ্রুপ পর্বের বাধা টপকাতে পারেনি। কাজেই ওই বিশ্বকাপটা গোটা ভারতীয় দলের কাছে একেবারেই নতুন একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু পক্ষান্তরে মহিলাদের বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। এর আগে তাঁরা দু দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছিল। ট্রফি না জিতলেও বিশ্বকাপের আসরে আমাদের দেশের মহিলাদের রেকর্ড যথেষ্ট ভাল ছিল।’

সানি আরও বলেন, ‘১৯৮৩ সালে শক্তিশালী ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে ভারত যেভাবে বিশ্বকাপ ট্রফি জয় করেছিল তা ভারতীয় ক্রিকেটকে উজ্জীবিত করেছিল। এবং এবারের এই মহিলা বিশ্বকাপে হরমনপ্রীত-স্মৃতি-জেমাইমা-রিচারা যেভাবে লড়াই করে ট্রফি জয় করেছে তাতে আগামী দিনে ভারতের মহিলা প্রজন্মের কাছে নতুন একটা দিগন্ত খুলে দেবে এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এবং স্মৃতি-হরমনপ্রীতদের দেখেই আইডব্লুএল-এ খেলার উৎসাহ পাবেন মহিলারা। ফলে আরও ক্রিকেটার আগামী দিনে ভারতীয় ক্রিকেটে উঠে আসবে।’

সবশেষে গাভাসকরের আরও সংযোজন, ‘প্রথমবার দেশের জার্সিতে বিশ্বকাপ জয় আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এমনকি আমাদের পরিবারের সদস্যদেরও ক্রিকেট খেলতে উৎসাহিত করেছিল। স্বীকার করতে বাধা নেই এ ক্ষেত্রে আইপিএল-র ভূমিকা অনস্বীকার্য। যার ফলেই ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের খেলোয়াড়রা তাঁদের প্রতিভার প্রতি সুবিচার করে আজকে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে।

Related Articles