ISL: আগামী ১০ বছরেও আইএসএল-এ অবনমন নেই
যদিও এফএসডিএল-র সঙ্গে চলতি বছরেই চুক্তি শেষ হচ্ছে এআইএফএফ-র, তবু তারই মধ্যে সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে এক বার্তা দিয়েছে এফএসডিএল (ফুটবল স্পোর্টস ডেভলপমেন্ট লিমিটেড)।
Truth of Bengal: কিছুতেই যেন জট কাটছে না ভারতীয় ফুটবলের। কেননা মাত্র দিন কয়েক আগে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে যে বার্ষিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছিল, তাতে আগামী আইএসএল কবে থেকে শুরু হবে তার কোনও দিনক্ষণ নির্দিষ্ট ছিল না। যা নিয়ে একটা ঘোর অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন আপমর ফুটবলপ্রেমী ও আইএসএল-এ খেলা ক্লাবগুলি। যদিও এফএসডিএল-র সঙ্গে চলতি বছরেই চুক্তি শেষ হচ্ছে এআইএফএফ-র, তবু তারই মধ্যে সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে এক বার্তা দিয়েছে এফএসডিএল (ফুটবল স্পোর্টস ডেভলপমেন্ট লিমিটেড)। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১০ বছর আইএসএল-এ অবনমন হবে না বলে জানানো হয়েছে (ISL)।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন এবং এআইএফএফ-র মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তাতে এফএসডিএল জাতীয় দল সহ ভারতীয় ফুটবলের সম্প্রচার সহ বিভিন্ন বিষয়ে ফেডারেশনকে বার্ষিক ৫০ কোটি টাকা প্রদান করে। যেহেতু চুক্তিটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তার আগে এফএসডিএল-র সঙ্গে নতুন চুক্তি সম্পন্ন করতে হত ফেডারেশনকে। যেহেতু ফেডারেশনের কমিটি গঠনের বিষয়টি নিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতের মামলা চলছে, তাই যতক্ষণ না পর্যন্ত শীর্ষ আদালত রায় দেবে, ততক্ষণ কমিটি এফএসডিএল-র সঙ্গে নতুন করে চুক্তির বিষয়ে কোনও কথা বলতে পারবে না (ISL)।
আরও পড়ুন: Gill Pant: শুভমন-যশস্বীর পর হেডিংলেতে শতরান পন্থের-ও
এদিকে ফেডারেশন ও এফএসডিএল-র মধ্যে এখনও পর্যন্ত নতুন চুক্তি না হওয়ায় দিশেহারা অবস্থা সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারশনের। কেননা ইন্ডিয়ান সুপার লিগ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা এখনও বকেয়া রয়েছে অংশগ্রহণকারী দলগুলির।এদিকে নতুন যে প্রস্তাব এফএসডিএল-র পক্ষ থেকে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে দেওয়া হয়েছে, তাতে ‘আইএসএল নিউ কোম্পানি জেভি’ নামে একটি নতুন কোম্পানি স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবং এই নতুন কোম্পানিতে বেশিরভাগ শেয়ার হোল্ডার হবে ক্লাবগুলি। এবং এই কোম্পানির মূল লক্ষ্যই হবে আইএসএল পরিচালনা করার পাশাপাশি বাণিজ্যিক করণের দিকটিও দেখা। নতুন কোম্পানিতে ফেডারেশনের শেয়ার থাকবে ১৪ শতাংশ, ক্লাবগুলির কাছে শেয়ার থাকবে ৬০ শতাংশ এবং এফএসডিএল-র কাছে ২৬ শতাংশ শেয়ার থাকবে। এমনকি বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে এফএসডিএল-ভেটো পদ্ধতিও বজায় রাখবে (ISL)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/
এছাড়া এফএসডিএল-র পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে আগামী পাঁচ বছর আইএসএল-এ নতুন করে দলের সংখ্যা আর বৃদ্ধি করা হবে না। এমনকি আইলিগ থেকে নতুন করে কোনও দল আইএসএল-এ খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেও তাদের বিষয়টিও নির্ভর করবে ওই শেয়ার হোল্ডারদের ওপর। অর্থ্যাৎ আইএসএল-এ যেমন অবতরন নেই, তেমনি আই লিগ থেকে আইএসএল খেলার স্বপ্ন দেখা ক্লাবগুলির কাছেও একপ্রকার অন্ধকার হয়েই থাকল। মোট কথা এফএসডিএল কার্যত সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে প্রবল চাপে রেখে তাদের ওপর উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে, প্রিমিয়ার, জে লিগ, লা লিগা প্রভৃতি পৃথিবী বিখ্যাত ফুটবল লিগ গুলি কীভাবে বে-সরকারি সংস্থাগুলি সফলভাবে পরিচালনা করছে। এখন দেখার সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন এফএসডিএল-র নতুন প্রস্তাব মানে না কি, অন্য কোনও পথ খুঁজে বার করে সেটাই দেখার (ISL)।






