রাজনীতি

সম্প্রীতি বজায় রাখার আবেদন সংসদে অনাস্থা নিয়ে চাপ বিরোধীদের 

MANIPUR UPDATE

The Turth of Bengal: ফিরিয়ে আনা হোক শান্তি-সম্প্রীতি, ব্যবস্থা হোক পুর্নবাসনের।রক্ষা করা হোক মহিলাদের সম্মান।দুদিন মণিপুর সরেজমিনে  পরিদর্শন করার পর  একথাই তুলে ধরলেন  ইন্ডিয়া জোটের সদস্যরা।৮৯ দিন ধরে চলতে থাকা  লাগাতার অশান্তিতে এবার ইতি টানার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ করুন। রাজ্যপাল অনুসূয়া উইকের সঙ্গে সাক্ষাত্ করে এই আবেদন জানালেন বিরোধী জোটের সদস্যরা। ইন্ডিয়া টিমের ২১জন সদস্য আলাদাভাবে মণিপুরের  রাজ্যপালের কাছে আলাদাভাবে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। সারা রাজ্য ঘুরে বিরোধী জোটের প্রতিনিধিরা স্বচক্ষে যা দেখেছেন তাই আবেদনপত্রে তুলে ধরেছেন।বলা যায়,৩মে থেকে জ্বলছে মণিপুর।জাতিহিংসার আগুনে বিধ্বস্ত চিত্রাঙ্গদার রাজ্য। শান্তি কিভাবে ফিরবে,কবে ফিরবে তা নিয়ে কোনও ভ্রুক্ষেপ শাসকদল করছে না বলে অভিযোগ বিরোধীদের।ডবল ইঞ্জিনের কথা বলা কেন্দ্রের সরকার আইনের শাসন বজায় রাখতে কেন ব্যর্থ সেই প্রশ্নও তুলছে সাধারণ মানুষ।

মণিপুরের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির কথা জানিয়ে কেন্দ্রের কাছে সংসদে তাঁদের তরফে পেশ করা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে দ্রুত আলোচনার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী সাংসদেরা।এই প্রসঙ্গে অধীর  চৌধুরী জানান, রাজ্যপাল তাঁদের সব দলকে নিয়ে একটি প্রতিনিধি দল গড়ে মণিপুরে আসার প্রস্তাব দিয়েছেন এবং সঙ্কট কাটাতে রাজ্যের সব সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে বলেছেন।মণিপুরের পরস্থিতির বদলের জন্য সাধারণ মানুষ থেকে প্রশাসনের কর্তা সবার কাছে আবেদনও জানিয়েছেন ইন্ডিয়া জোটের সদস্যরা।    কেন্দ্র এবং মণিপুর সরকারের সমালোচনা করে  জোটের সদস্যরা বলেন,   মণিপুরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে দ্রুত পদক্ষেপ করুন রাজ্যপাল।” অভিযোগ উঠেছে,মণিপুরের আশ্রয় শিবিরগুলিতে ন্যূনতম পরিকাঠামো নেই ।

কংগ্রেস সাংসদ ফুলোদেবী নেতাম   বলেন, “একটা বড় ঘরে ৪০০-৫০০ জনকে রাখা হচ্ছে। রাজ্য সরকার কেবল চাল আর ডাল দিচ্ছে। কিন্তু ছোটদের খাওয়ার মতো কিছু নেই। নেই কোনও শৌচাগারও।” প্রতিনিধি দলে রয়েছেন তৃণমূলের সুস্মিতা দেব, ডিএমকের কানিমোঝি, সিপিএমের এএ রহিম, জেডিইউয়ের লালন সিং  , আরজেডির মনোজ ঝা,   আম আদমি পার্টির সুশীল গুপ্ত, সিপিআইয়ের পি সন্তোষ কুমার,   আরএলডির জয়ন্ত চৌধুরী, ভিসিকের থল তিরুমালব্যনের মতো বিরোধী জোটের সাংসদেরা।তাঁরা সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সংসদে রিপোর্ট জমা করতে পারেন।মণিপুর পরিস্থিতি নিয়ে অধীর চৌধুরী, সুস্মিতা দেব সহ ২১ প্রতিনিধির রিপোর্টকে হাতিয়ার করে কেন্দ্র বিরোধী চাপ যে তাঁরা বাড়াবে তার আভাসও মিলছে।