বিধানসভায় কেউ বক্তব্য দিতে চাইছেন না- কালিঘাট তৃণমূলের নয়া সংকট: মমতার দ্বারস্থ হচ্ছেন শোভনদেব
অধিবেশনে কে বলবেন বা বক্তব্য কি রাখবেন নাম খুঁজে পাচ্ছেন না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

Truth of Bengal: জয় চক্রবর্তী: এবার কালীঘাট তৃণমূলের নতুন সংকট। অধিবেশনে কে বলবেন বা বক্তব্য কি রাখবেন নাম খুঁজে পাচ্ছেন না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। “আমি কি করবো বুঝে উঠতে পারছি না। একজনও বলতে চাইছেন না। অসীমা পাত্র কে অনুরোধ করলাম। কিন্তু শুনলো না” অসহায়তার বক্তব্য ফুটে উঠল প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়ের গলায়। তাহলে এখন কি করবেন? প্রশ্নের উত্তরে কিছুক্ষণ চুপ থেকে শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় বলেন,”দেখি দল নেত্রীকে জানাবো। ওনাকে দিয়ে যদি বলানো যায়।”
এমনিতেই ৮০ জন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের মধ্যে ৬০ জনের বেশি বিধায়ক ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিধানসভার অধিবেশনে অংশগ্রহণ করছেন। বাকি বিধায়কদের নিয়ে বিধানসভার অধিবেশনে বক্তব্য থেকে শুরু করে অন্যান্য সাংবিধানিক কাজ করাটাই সমস্যা হয়ে যাচ্ছে, স্বীকার করে নিলেন বর্ষিয়ান বিধায়ক। বৃহস্পতিবার কালীঘাটের তৃণমূলের কোনো প্রতিনিধি কে বিএ কমিটির সদস্য করার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষ কে অধিবেশনেই অনুরোধ করেন শোভন দেববাবু। সে বিষয়ে অবশ্য অধ্যক্ষের কোন জবাব ছিল না। অধিবেশন শেষ হওয়ার পর শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়ের গলাতে ঝরে পড়ে আক্ষেপ আর হতাশা।”কেউ সম্মান দিচ্ছে না। আমাদের বসার ঘরটা পর্যন্ত নেই। অনেকে তো বলছে আসবো না” জানালেন তিনি।
নতুন যারা রয়েছে তারা বক্তা হিসেবে তৈরি নয়। কিন্তু বর্ষিয়ান বিধায়ক তো রয়েছেন? তারা কেন বলবেন না? “মদন মিত্র, পুলক রায় কেউ বলতে চাইছেন না। অসীমা পাত্র সই করে চলে যাচ্ছে না” উত্তর শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়ের। এবার শেষ উপায় অবলম্বন করবেন তিনি। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করবেন শোভন দেব বাবু। তারপর? ” আমি জানিনা কি হবে” জানিয়ে দিলেন কালিঘাট তৃণমূলের শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়।


