কলকাতা

ভোটের আগে নজিরবিহীনভাবে বাংলার পুলিশ কর্তা ও আমলাদের বাইরে পাঠাচ্ছে কমিশন

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, সরানো ওই ১২ জন পুলিশ কর্তার মধ্যে বেশ কয়েকজনকে কেরল, তামিলনাড়ু ও অসমে ‘পুলিশ অবজার্ভার’ হিসেবে পাঠানো হচ্ছে।

Truth Of Bengal: রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপে। মঙ্গলবার ১২ জন পুলিশ সুপার এবং কলকাতা পুলিশের এক ডেপুটি কমিশনারকে পদ থেকে সরানোর পর বুধবার তাঁদের বিকল্প দায়িত্ব দেয় নবান্ন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তেরa কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কমিশনের নয়া নির্দেশিকায় স্পষ্ট হয়ে যায়—ওই আধিকারিকদের অধিকাংশকেই আর বাংলায় রাখা হবে না ভোটের সময়।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, সরানো ওই ১২ জন পুলিশ কর্তার মধ্যে বেশ কয়েকজনকে কেরল, তামিলনাড়ু ও অসমে ‘পুলিশ অবজার্ভার’ হিসেবে পাঠানো হচ্ছে। মুর্শিদাবাদের সদ্য প্রাক্তন পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকারকে তামিলনাড়ুতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কমিশনের দাবি, বাংলায় অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

উল্লেখ্য, যাঁদের সরানো হয়েছে তাঁদের অনেকের বিরুদ্ধেই শাসক দলের ঘনিষ্ঠ হওয়ার অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা। সেই প্রেক্ষিতেই কমিশনের এই কড়া পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কমিশনের নির্দেশের আগেই নবান্ন সরানো পুলিশ আধিকারিকদের নতুন দায়িত্ব দেয়। আইপিএস রাজীব মিশ্রকে পুলিশের আধুনিকীকরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার কোটেশ্বর রাওকে আইবি-র ডিআইজি করা হয়েছে। প্রবীণ ত্রিপাঠিকে এসটিএফের আইজি এবং কামানাশিস সেনকে আইবি-র স্পেশাল সুপারিনটেন্ডেন্ট করা হয়েছে। ধৃতিমান সরকারকেও নতুন প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

Related Articles