প্রার্থী হওয়া কি সময়ের অপেক্ষা? জেতার স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে তৈরি দিলীপ-পত্নী রিঙ্কু!
টিকিট পেলে জেতাটা আমার কাছে একটা চ্যালেঞ্জ
Truth of Bengal: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে এখন সবথেকে বড় চমক দিলীপ-পত্নী রিঙ্কু মজুমদারের প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা। টিকিট পাবেন কি না তা এখনও খাতা-কলমে নিশ্চিত নয়, কিন্তু লড়াইয়ের ময়দানে নামলে জেতার ব্লু-প্রিন্ট যে তাঁর নখদর্পণে, শুক্রবার সগর্বে সেই দাবিই করলেন তিনি। রিঙ্কু মজুমদারের সাফ কথা, “আমি জীবনে কোনোদিন হারিনি। টিকিট পেলে জেতাটা আমার কাছে একটা চ্যালেঞ্জ।”
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) February 20, 2026
নিজের ব্যক্তিগত জীবনের লড়াইকে হাতিয়ার করে তিনি জানান, মাত্র ১৮ বছর বয়স থেকে দিল্লির মতো শহরে ঘরভাড়া দেওয়া থেকে শুরু করে সংসার চালানো—সবই করেছেন তিনি। এমনকি প্রাক্তনের খরচ চালানোর দায়িত্বও সামলেছেন। তাই রাজনীতির ময়দানকেও তিনি দেখছেন একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে।
বিজেপি সূত্রে খবর, গত ৩১ জানুয়ারি সল্টলেকের দলীয় দপ্তরে গিয়ে নিজের জীবনপঞ্জি বা সিভি (CV) জমা দিয়ে এসেছেন রিঙ্কু। সেখানে তিনি তিনটি পছন্দের আসনের কথা উল্লেখ করেছেন: ১. মেদিনীপুর শহর ২. বীজপুর ৩. নিউটাউন। নিজের সিভিতে রিঙ্কু মজুমদার নিজেকে তৃণমূল স্তরের একজন সক্রিয় এবং সামাজিক নেত্রী হিসেবে তুলে ধরেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে দলের হয়ে তাঁর বিভিন্ন কাজের খতিয়ানও সেখানে সবিস্তারে বর্ণনা করা হয়েছে।
স্ত্রী প্রার্থী হওয়ার আবেদন জানানোয় বিন্দুমাত্র বিচলিত নন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের সময় তিনি জানান, রিঙ্কু তাঁর চেয়েও পুরনো কার্যকর্তা। দিলীপবাবুর কথায়, “ও আমার থেকেও পুরনো দলে। আমি এমএলএ, এমপি হয়ে গেলাম। ওর ইচ্ছা হয়েছে আবেদন করেছে। হাজার হাজার লোক আবেদন করছে, দলই ঠিক করবে কে প্রার্থী হবেন।”






