ক্রীড়া দফতরের দায়ীত্বে থাকছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই, অরূপের ইস্তফা পত্রে অনুমোদন!
সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী এই ইস্তফা অনুমোদন করেছেন। এমনটাই জানিয়েছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।
Truth Of Bengal: বিশ্ব ফুটবলের কিংবদন্তি লিওনেল মেসির কলকাতা সফরকে ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার জেরে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে অব্যাহতি চেয়েছেন তিনি। সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তদন্ত চলাকলালীন অরূপ বিশ্বাসকে অব্যাহত রাখা হবে। এবং ততক্ষণ ক্রীড়া দফতর নিজেই কাছেই রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী।
Breaking:
ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে অরূপ বিশ্বাসের ইস্তফা। নেত্রীকে চিঠি লিখে অব্যাহতি চাইলেন তিনি। সূত্রের খবর, অনুমোদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। pic.twitter.com/z9mkn1saay— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) December 16, 2025
প্রথমে এই বিষয়ে জানিয়েছিলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।
ক্রীড়ামন্ত্রীর পদে অব্যহতি চেয়ে অরূপের চিঠি! pic.twitter.com/CSELEPsq9w
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) December 16, 2025
প্রসঙ্গত, গত ১৩ ডিসেম্বর মেসির ‘গোট ইন্ডিয়া ট্যুর ২০২৫’-এর প্রথম দিনে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হাজার হাজার টাকার টিকিট কেটে মেসিকে দেখতে আসা দর্শকরা প্রিয় তারকাকে ঠিকমতো দেখতে না পেয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মাঠে ভিআইপি, রাজনৈতিক নেতা ও মন্ত্রীদের ভিড়ে মেসি ঘিরে থাকায় গ্যালারি থেকে তাঁকে দেখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে মেসি মাত্র ২০ মিনিটের মতো থেকে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন।
এরপর দর্শকদের একাংশ চেয়ার ভাঙচুর, বোতল ছোড়া, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা এবং মাঠে নেমে তাণ্ডব চালান। স্টেডিয়ামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা। ঘটনায় আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং টিকিটের টাকা ফেরতের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
এর আগে তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিসিপি অনিশ সরকারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, ডিজি রাজীব কুমার ও বিধাননগর পুলিশ কমিশনারকে শোকজ করা হয়েছে এবং যুবভারতীর সিও রাজেশ কুমার সিনহাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার জেরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনা চলছে।
বিরোধীরা ক্রীড়ামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন, যা এখন বাস্তবে রূপ নিল। তদন্ত কমিটির রিপোর্টের পর আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর। এই ঘটনা কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতে এমন অনুষ্ঠানের আয়োজনে আরও সতর্কতা অবলম্বনের দাবি উঠেছে।






