বইপ্রেমীদের জন্য সুখবর! বইমেলা উপলক্ষে রবিবারে ছুটবে অতিরিক্ত মেট্রো
শুক্রবার নেতাজির জন্মদিন ও সরস্বতী পুজো উপলক্ষে অফিস যাত্রী কম থাকার সম্ভাবনা থাকায় মেট্রোর সংখ্যা কমানো হচ্ছে।
Truth of Bengal: বইপ্রেমীদের সুবিধার্থে ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার ১৬০টি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সাধারণত রবিবারগুলিতে ১৩০টি ট্রেন চলে, তবে বইমেলার আকর্ষণে এদিন ৩০টি অতিরিক্ত পরিষেবা মিলবে। সকাল ৯টা থেকে দক্ষিণেশ্বর, নোয়াপাড়া ও শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশন থেকে পরিষেবা শুরু হবে। ওইদিন রাতে শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বরগামী শেষ মেট্রোর সময় সামান্য পিছিয়ে রাত ৯টা ৩০ মিনিটের পরিবর্তে ৯টা ৩৩ মিনিট করা হয়েছে। এছাড়া শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দমদম পর্যন্ত শেষ ট্রেনটি ছাড়বে রাত ৯টা ৪৪ মিনিটে। তবে দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরামগামী শেষ ট্রেনের সময় অপরিবর্তিত থাকছে।
শুক্রবার নেতাজির জন্মদিন ও সরস্বতী পুজো উপলক্ষে অফিস যাত্রী কম থাকার সম্ভাবনা থাকায় মেট্রোর সংখ্যা কমানো হচ্ছে। ব্লু লাইনে ২৭২টির বদলে চলবে ২৩৬টি মেট্রো। শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বর যাওয়ার প্রথম ট্রেনটি সকাল ৬টা ৫০ মিনিটের পরিবর্তে ৬টা ৫৪ মিনিটে ছাড়বে। রাতের শেষ মেট্রোটি রাত ৯টা ৩৫ মিনিটের বদলে রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে ছাড়বে। তবে নোয়াপাড়া থেকে দক্ষিণেশ্বর রুটে দুটি বিশেষ আপ ট্রেন চালানো হবে। ইয়েলো লাইনে (নোয়াপাড়া – দমদম ক্যান্টনমেন্ট – জয় হিন্দ): ১২০টির পরিবর্তে মাত্র ৯২টি মেট্রো চলবে। এই লাইনে প্রথম ট্রেনের সময় ঠিক থাকলেও রাতের সূচিতে বদল আছে। নোয়াপাড়া থেকে জয় হিন্দ (বিমানবন্দর) যাওয়ার শেষ মেট্রো রাত ৮টা ৫৮ মিনিটে এবং বিমানবন্দর থেকে নোয়াপাড়া ফেরার শেষ ট্রেন রাত ৯টা ১৮ মিনিটে ছাড়বে।
মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৩ জানুয়ারি ব্লু ও ইয়েলো লাইনে কাটছাঁট করা হলেও অরেঞ্জ লাইন (কবি সুভাষ – হেমন্ত মুখোপাধ্যায়) এবং পার্পেল লাইন (জোকাস – মাঝেরহাট)-এ ট্রেন পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকবে। উল্লেখ্য, কবি সুভাষ স্টেশনে কাজ চলায় বর্তমানে ব্লু লাইনের পরিষেবা শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশন পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকছে। যাত্রীদের এই পরিবর্তিত সময়সূচি মাথায় রেখেই যাতায়াতের পরিকল্পনা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।






