আইপ্যাক দফতরে ইডি হানা ঘিরে বিতর্ক, থানায় লিখিত অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর
এদিন সকালে আচমকাই আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা।
Truth Of Bengal: তল্লাশির নামে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি চুরির অভিযোগ উঠল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি’র বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে বিধাননগরের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় লিখিত নালিশ জানালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন সকালে আচমকাই আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ১৫ মিনিট প্রতীক জৈনের বাড়িতে ছিলেন তিনি। বেরোনোর সময় তাঁর হাতে একটি সবুজ রঙের ফাইল দেখা যায়। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং তৃণমূলের আসন্ন ২০২৬ সালের নির্বাচনী রণকৌশল ‘চুরি’ করাই ছিল মূল লক্ষ্য।
এর মধ্যেই খবর আসে, সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসেও তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। সেখানেও যান মুখ্যমন্ত্রী। অভিযোগ, ওই দপ্তর থেকে কিছু নথি, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী সেগুলি নিজের গাড়িতে তুলে নেন বলে জানা গেছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার ইডিকে ব্যবহার করে তৃণমূলের নির্বাচনী পরিকল্পনায় হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে। পাল্টা ইডির বক্তব্য, তল্লাশির কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং মুখ্যমন্ত্রী অনৈতিকভাবে হস্তক্ষেপ করেছেন। গোটা ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হয় এবং বিষয়টি গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশির সময় ঠিক কী ঘটেছিল, ঘটনাস্থলে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কোন কোন ইডি আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেছেন,এই সমস্ত প্রশ্নের বিস্তারিত জবাব চেয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই ইডির তরফে একটি রিপোর্ট অর্থমন্ত্রকে জমা দেওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্ট পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য অর্থমন্ত্রকের তরফে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হবে বলে সূত্রের খবর।






