Assembly Chaos: “শুধু নিজেদের কথা বলবেন, আমাদের কথা শুনবেন না”,- কেন বললেন বাবুল সুপ্রিয়?
বিলটি নিয়ে আলোচনা চলাকালীন বিরোধী দলের মুখ্য সচেতন শঙ্কর ঘোষ বক্তব্য রাখতে ওঠেন।
জয় চক্রবর্তী: বিধানসভার দ্বিতীয়ার্ধের অধিবেশন উত্তাল হয়ে উঠল ‘দ্য নেতাজি সুভাষ ইউনিভার্সিটি অফ স্পোর্টস অ্যান্ড এন্ট্রেপ্রেনিউরশিপ বিল, ২০২৫’ নিয়ে বিতর্কে। বিলটি নিয়ে আলোচনা চলাকালীন বিরোধী দলের মুখ্য সচেতন শঙ্কর ঘোষ বক্তব্য রাখতে ওঠেন। সেই সময়ই উত্তেজনার সূত্রপাত (Assembly Chaos)।
আরও পড়ুন: Online Trolling: ট্রল সংস্কৃতি- জনপ্রিয়তার ফাঁদ নাকি মানসিক নির্যাতনের হাতিয়ার?
বক্তব্যের মাঝপথে শাসক দলের বিধায়কদের মধ্যে থেকে মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বলে ওঠেন, “ওনারা শুধু নিজেদের কথা বলবেন, আমাদের কথা শুনবেন না। এটা কেন?” এই মন্তব্যের পরপরই শাসক দলের অন্যান্য বিধায়করাও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠেন। শুরু হয় তুমুল হইচই ও গণ্ডগোল। এই পরিস্থিতিতে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপ করেন। তিনি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন— “বৃহস্পতিবার অনুরোধ সত্ত্বেও কেন বিজেপি বিধায়করা অধিবেশন ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন?” তিনি আরও অভিযোগ করেন, চেয়ারকে অপমান করা হয়েছে। অধ্যক্ষ ও শঙ্কর ঘোষের মধ্যে এই নিয়ে সরাসরি বাকবিতণ্ডা শুরু হয় (Assembly Chaos)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/
শঙ্কর ঘোষ যখন পুনরায় কথা বলতে উদ্যোগী হন, তখন শাসক দলের সদস্যরা আরও জোরে প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত তীব্র গণ্ডগোল ও বাগ্বিতণ্ডার মধ্যে দিয়ে বিজেপি বিধায়করা অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করে পক্ষত্যাগ করেন। এই ঘটনার জেরে বিধানসভার পরিবেশ বেশ কিছুক্ষণ চরম উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে পড়ে। ‘নেতাজি সুভাষ ইউনিভার্সিটি বিল’ পাসের আলোচনায় বিরোধী ও শাসক পক্ষের এই সংঘর্ষ নতুন করে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে (Assembly Chaos)।






