আন্তর্জাতিক
Trending

হতাশা থেকে বাঁচতে  ধ্যান করতে গিয়ে কী ভয়ঙ্কর অবস্থা,নিউজিল্যান্ডের মেয়েটির, ভিতর থেকে পুড়ে গেল শরীর !

While meditating to escape from depression, what a terrible situation, the New Zealand girl's body burned from the inside!

The Truth Of Bengal: নিউজিল্যান্ডে বাড়ছে হতাশা।আর হতাশা থেকে বাঁচতে অনেকেই ধ্যান করছেন।যাতে টেনশন-উদ্বেগ কমে।ভারতীয় চিন্তনের ধারা নিউজিল্যান্ডে ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে।সেই পথেই হেঁটেছিলেন শার্লট গিলমোর।কিন্তু সেই হতাশা কাটানোর সহজপাঠ নেওয়ার চেষ্টা করেন বছর ২৩-র যুবতী। তাঁর জীবন যন্ত্রণার কথা তুলে ধরতে গিয়ে ধ্যানের বিষয়টিও সামনে আনেন।আসলে এই ধ্যানভাস তাঁকে ভিতর থেকে পুড়িয়ে দিয়েছে।স্থানীয় সংবাদ বিভাগ স্টাফের প্রতিবেদন অনুসারে,গিলমোর আসলে স্টিভেন জনসনের সিনড্রোমকে উন্নত করার চেষ্টা করেন।

যারজন্য তাঁর চামড়া,মুখ সহ নানা অংশে ফোস্কা পড়ে যায়। এসআইএস হল এমন এক ধরণের প্রবণতা যা ফ্লু-র মতো ক্ষতি করে।ফোস্কার মতো বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়।নিউইয়র্ক পোস্টের মায়ো ক্লিনিক থেকে মেলা তথ্যে জানা গেছে,১০শতাংশ রোগী এরজন্য মারা যান।চিকিত্সকরা মনে করছেন,ল্যামোট্রিজিনের সাইড এফেক্টের জন্যই এই ফুল ভুগতে হচ্ছে শার্লট গিলমোরকে। গিলমোর নিজে জানিয়েছেন,ফোস্কার মতো প্রবণতা দেখা যাওয়ার আগে সংক্রমণের ঝোঁক বাড়ে। তিনি বলেছেন,তিনি যখন আয়না দেখেন তখন তিনি কেঁদে ফেলেন।অবচেতনভাবে এই ঘটনা বেশ বিপজ্জনক পরিণতি বয়ে আনতে পারে। তাই এই অবস্থা থেকে বাঁচতে তিনি হাসপাতালে ছুটে যান।

সেখানেই তাঁর চিকিত্সার ব্যবস্থা হয়। এই ঘটনা সবথেকে গুরুতর আকার নেয়,যখন এই ফোস্কা বা শারীরিক সমস্যা চামড়ার মতোই মুখও হজম শক্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। যার জন্য তিনি খেতে পর্যন্ত পারতেন না। তাই চিকিত্সকরা তাঁকে ফিডিং টিউব দিয়ে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেন।যার মাধ্যমে তাঁকে প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেওয়া হয়। এমনকি স্টেরোয়েড দিয়েও তাঁর স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়নি। তখন তাঁরা সেই কাজ বন্ধ করে দেন।তাই এই দুঃসহ অবস্থার কথা বোঝাতে গিয়ে শার্লট গিলমোর জানিয়েছেন,তিনি তাঁর চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর তাঁর শরীরের কিছুটা উন্নতি হয়েছে,কিন্তু আফটার এফেক্ট বা পরবর্তী প্রভাব রয়েই গেছে।তাঁর চোখ এবং মুখের চারপাশ দিয়ে চামড়ার ব্যধি তাঁকে উদ্বেগের মধ্যে রেখেছে।

Free Access

 

 

 

Related Articles