ভারত-রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা মার্কিন কংগ্রেসেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু
পরে পুতিন জানিয়েছেন, একসঙ্গে গাড়িতে যাওয়ার প্রস্তাব তিনিই দিয়েছিলেন এবং এটি ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে রাখা হয়েছে।
Truth Of Bengal: ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদেশনীতির প্রভাবেই ভারত এবং রাশিয়ার সম্পর্ক আরও গভীর হচ্ছে। নয়াদিল্লি ক্রমেই মস্কোর দিকে ঝুঁকছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এক সেলফি দেখিয়ে এই বিষয়টি সামনে আসে।
পুতিন এক দিনের ভারত সফরে এসে দিল্লির বিমানবন্দরে নামার পরই মোদির সঙ্গে একই গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী ভবনে পৌঁছান। গাড়িতে যাওয়ার সময় মোদি এবং পুতিন একসঙ্গে সেলফিও তুলেন। পরে পুতিন জানিয়েছেন, একসঙ্গে গাড়িতে যাওয়ার প্রস্তাব তিনিই দিয়েছিলেন এবং এটি ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে রাখা হয়েছে।
এই সেলফি মার্কিন কংগ্রেসে প্রদর্শন করা হলে ডেমোক্র্যাট সদস্য সিডনি কামল্যাগার-ডাভ অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটনের বর্তমান বিদেশনীতির কারণে নয়াদিল্লি ক্রমেই মস্কোর আরও কাছে চলে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “ট্রাম্পের নীতির কারণে আমাদের কৌশলগত সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থাপিত আস্থা এবং বিশ্বাসের ক্ষতি ঘটছে।”
ডেমোক্র্যাট সদস্য আরও বলেন, মোদি-পুতিনের এই সেলফিই অনেক কথা বলছে। “কৌশলগত সহযোগীকে প্রতিপক্ষের দিকে ঠেলে দিয়ে নোবেল পুরস্কার পাওয়া যাবে না,” তিনি তীব্রভাবে মন্তব্য করেন। এছাড়া তিনি ওয়াশিংটনকে অবিলম্বে নীতি পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কম দামে রাশিয়ার থেকে তেল কেনার বিষয়টি ট্রাম্প প্রশাসনের বহুবার আপত্তি জন্মিয়েছে। ভারত তা মানেনি। এছাড়া অপারেশন সিঁদুরের পর ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের টানাপোড়েন এবং ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতি ভারত-ওয়াশিংটনের সম্পর্ককে প্রভাবিত করেছে। এই অবস্থার মধ্যেই পুতিনের ভারত সফর ওয়াশিংটনের জন্য আরও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



