Pakistan Assembly: ৫ হাজার টাকার বান্ডিল কুড়িয়ে পেলেন স্পিকার, দাবিদার ১২ থেকে ১৩ জন সংসদ সদস্য!
এই ঘটনায় পাকিস্তানের রাজনীতি নিয়ে জনগণের গভীর অবিশ্বাস আরও একবার সামনে এসেছে, এবং দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে রাজনীতিবিদদের ভূমিকার ওপর তীব্র কটাক্ষ শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
Truth of Bengal: পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির (জাতীয় পরিষদ) একটি অধিবেশন সম্প্রতি এক অপ্রত্যাশিত সততা পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে, যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। সংসদ সদস্যদের আসনগুলোর কাছে মেঝেতে পড়ে থাকা সামান্য কিছু টাকা কুড়িয়ে পাওয়ার পর স্পিকার যখন এর মালিক খুঁজতে শুরু করেন, তখন নাটকীয়ভাবে ১২ থেকে ১৩ জন সদস্য সেই টাকার দাবিদার হন। এই ঘটনায় পাকিস্তানের রাজনীতি নিয়ে জনগণের গভীর অবিশ্বাস আরও একবার সামনে এসেছে, এবং দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে রাজনীতিবিদদের ভূমিকার ওপর তীব্র কটাক্ষ শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
BIZARRE 🚨 10 notes found on the floor of the Pakistan Assembly.
SPEAKER : Whose money is this? Whoever it belongs to, raise your hand.
12 MPs raised their hands almost within the blink of an eye to claim the money 😅😅pic.twitter.com/lju3kHkVbS https://t.co/kDQbpLzyuR
— News Algebra (@NewsAlgebraIND) December 11, 2025
সোমবার জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে এই নাটকীয় ঘটনার সূত্রপাত। স্পিকার আয়াজ সাদিক লক্ষ্য করেন যে কয়েকজন সংসদ সদস্যের আসনের কাছাকাছি মেঝেতে বেশ কিছু টাকার নোট পড়ে রয়েছে। তিনি নিজে সেই নোটগুলি কুড়িয়ে নেন। দেখা যায়, সেখানে $৫,০০০ (পাঁচ হাজার) PKR-এর ১০টি নোট ছিল, যার মোট মূল্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় $১৬,৫০০ টাকার কাছাকাছি। স্পিকার সাদিক কৌতূহলবশত ঘটনাটিকে একটি মজার দিকে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি টাকার বান্ডিলটি হাতে উঁচু করে ধরে পরিষদের সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এই টাকা কার? যার টাকা, দয়া করে হাত তুলুন।” স্পিকারের এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ১২ থেকে ১৩ জন সংসদ সদস্য নিজেদের টাকা দাবি করে হাত তোলেন। এতজন দাবিদার দেখে বিস্মিত স্পিকার রসিকতা করে বলেন, “নোট আছে ১০টি, কিন্তু মালিক ১২ জন!”
স্পিকারের এই মন্তব্যে সংসদ কক্ষে হাসির রোল ওঠে এবং কিছুক্ষণের জন্য সংসদের স্বাভাবিক কাজ বিঘ্নিত হয়। সংসদ সদস্য এবং কর্মকর্তারা বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করেন। অধিবেশনের এই দৃশ্যের ফুটেজটি দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। বহু পাকিস্তানি এই ক্লিপটি ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশন এবং মিমের সাথে শেয়ার করতে শুরু করেন, যার ফলে জাতীয় পরিষদের এই ‘নোট-নাটক’ একটি ট্রেন্ডিং বিষয়ে পরিণত হয়। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, এই ঘটনা দেশের রাজনীতিবিদদের সততা নিয়ে জনগণের সন্দেহকেই প্রতিফলিত করছে।






