Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে মাও-দমনে সাফল্য! ২ মাও নেতা-নেত্রীর আত্মসমর্পণ
বিজাপুর জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, আত্মসমর্পণকারী সিপিআই মাও নেতা-কর্মীদের মধ্যে রয়েছে বছর ২৯-এর ধামতারি-গরিয়াবন্দ-নুয়াপাড়া এরিয়া কমিটির সদস্য কোসা ওয়াম ওরফে রাজেন্দ্র।
মাও-দমনে ফের ছত্তিশগড়ে মিলল সাফল্য। বিজাপুর জেলাতে আত্মসমর্পণ ৮ জন মহিলা সহ ১৩ জন মাওবাদীর। যাদের মাথার দাম রাখা হয়েছিল প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। (Chhattisgarh)
[আরও পড়ুনঃ Bakrahat Shiva: ভূতের কাছারি থেকে ‘বাবা বড় কাছারি’—শিবশক্তির জাগ্রত ইতিহাস]
বিজাপুর জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, আত্মসমর্পণকারী সিপিআই মাও নেতা-কর্মীদের মধ্যে রয়েছে বছর ২৯-এর ধামতারি-গরিয়াবন্দ-নুয়াপাড়া এরিয়া কমিটির সদস্য কোসা ওয়াম ওরফে রাজেন্দ্র। একইসঙ্গে রয়েছে ক্রান্তিকারী আদিবাসী মহিলা সংগঠনের সভানেত্রী কোসি পোড়িয়ান। তাঁদের মাথার দাম রাখা হয় যথাক্রমে পাঁচ লক্ষ ও তিন লক্ষ টাকা। বাকিদের মাথার দাম রাখায় হয় এক থেকে দুই লক্ষ টাকা। আত্মসমর্পণের পর সরকারী নীতি অনুযায়ী, এককালীন অর্থসাহায্য ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে তারা পাবেন বিকল্প জীবিকা ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত সমস্ত সরকারী সুযোগ সুবিধা।(Chhattisgarh)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে যৌথ অভিযানে নামে ছত্তিশগড় পুলিশের ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড ও বস্তার ফাইটার্স। তাদের সেই অভিযানেই ক্রমশ মাওবাদীরা কোণঠাসা হচ্ছে অবুঝমারের অরণ্যে। সূত্র বলছে, মাওবাদী সশস্ত্র বাহিনী এলপিজিএ-র নেতা কর্মীদের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে আত্মসমর্পণের প্রবণতাও বাড়ছে। মাওবাদীদের মূল শ্রোতে ফেরানোর উদ্দেশ্য নিয়ে গত বছর থেকেই শুরু হয়েছে কর্মসূচি। ইতিমধ্যেই আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের পুনর্বাসনের জন্য শুরু হয় বিশেষ কর্মসূতী। তারই সুফল পেতে শুরু করেছে বলে জানাচ্ছে ছত্তিশগড় পুলিশ, এমনটাই জানানো হচ্ছে পুলিশের তরফ থেকে। ।






