কম্বোডিয়ায় ভারতীয়দের বন্দি করে সাইবার অপরাধ! পাচার চক্রের নেপথ্যে এবার ভয়ংকর ‘পাকিস্তানি যোগ’
অভিযোগ উঠেছে, কয়েকশো ভারতীয়কে ভুয়ো চাকরির টোপ দিয়ে এই আন্তর্জাতিক প্রতারণাচক্রের জালে ফাঁসিয়েছে পাকিস্তানের কিছু এজেন্ট ও হ্যান্ডলার।
Truth of Bengal: বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভারতীয় তরুণদের পাচার ও সাইবার অপরাধে বাধ্য করার ঘটনায় এক চাঞ্চল্যকর মোড় এল। কম্বোডিয়ায় বন্দি দশা থেকে মুক্তি পেয়ে ফিরে আসা ব্যক্তিদের বয়ানে এবার সরাসরি পাকিস্তানি যোগসূত্রের প্রমাণ পেলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। অভিযোগ উঠেছে, কয়েকশো ভারতীয়কে ভুয়ো চাকরির টোপ দিয়ে এই আন্তর্জাতিক প্রতারণাচক্রের জালে ফাঁসিয়েছে পাকিস্তানের কিছু এজেন্ট ও হ্যান্ডলার।
২০২৪ সালে প্রথম এই ভয়াবহ পাচার চক্রের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। সেই সময় জানা যায়, প্রায় পাঁচ হাজার ভারতীয়কে মোটা বেতনের কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কম্বোডিয়ায় নিয়ে গিয়ে বন্দি করা হয়েছে। সেখানে তাঁদের ওপর অমানবিক অত্যাচার চালিয়ে জোরপূর্বক বিভিন্ন ধরণের সাইবার জালিয়াতির কাজে লিপ্ত করা হতো। পরবর্তীতে ভারত সরকারের হস্তক্ষেপে অনেককেই দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিরে আসা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পর জানা গিয়েছে যে, তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়ার পিছনে পাকিস্তানি এজেন্টদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল।
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই এই ঘটনার ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেছে। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, প্রতারিতদের সঙ্গে হওয়া কথোপকথন, চ্যাট এবং ফোন কলের আইপি অ্যাড্রেস বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে সেগুলির উৎস পাকিস্তানের বিভিন্ন সার্ভার। ফরেন্সিক রিপোর্টেও পাক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে এই চক্রের সরাসরি সংযোগের ইঙ্গিত মিলেছে। জানা গিয়েছে, এই আন্তর্জাতিক চক্রটি মূলত উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, মুম্বই, তেলঙ্গানা এবং কেরলের মতো রাজ্যগুলিতে নিজেদের জাল বিস্তার করেছিল।






