দেশ

নিক্কি হত্যা কাণ্ড: পুলিশি হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা, এনকাউন্টারে জখম ভিপিন

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিপিনকে নিয়ে থিনারের বোতল উদ্ধারের জন্য যাওয়া হচ্ছিল।

Truth Of Bengal: শনিবার হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করে ভিপিন। তাকে বাধা দিতে এনকাউন্টার করে গ্রেটার নয়ডা পুলিশ, বর্তমানে সে আহত। নিক্কি হত্যা মামলার (Nikki Murder Case) প্রধান অভিযুক্ত ভিপিন তাঁর স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত।

[আরও পড়ুন: Afganistan: আসন্ন এশিয়া কাপের জন্য ১৭ জনের দল ঘোষণা আফগানিস্তানের]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিপিনকে নিয়ে থিনারের বোতল উদ্ধারের জন্য যাওয়া হচ্ছিল। যা তিনি নাকি কিনেছিলেন। সেই সময় তিনি এক পুলিশকর্মীর পিস্তল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন ও সিসরা চৌরাহার কাছে হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ভিপিন (Nikki Murder Case)। বারবার সতর্ক করার পরও তিনি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ গুলি চালায়। একটি গুলি তার পায়ে লাগে।

এনকাউন্টারের পর নিক্কির বাবা বলেন, পুলিশ সঠিক কাজ করেছে। তিনি বলেন, “পুলিশ ঠিক করেছে। অপরাধী সবসময় পালানোর চেষ্টা করে, ভিপিনও অপরাধী। আমাদের অনুরোধ, বাকিদেরও যেন ধরা হয়।”

অভিযোগ অনুযায়ী, নিক্কির শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাঁর ছোট ছেলে ও বোনের সামনে তাকে নির্যাতন করে আগুনে পুড়িয়ে দেয়। তাঁর ছয় বছরের ছেলে জানায়, “আমার মাম্মার গায়ে কিছু ঢালা হয়েছিল, তারপর তাঁকে চড় মারা হয় এবং লাইটার দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ক্লিপে দেখা গিয়েছে, নিক্কিকে মারধর করা হচ্ছে, চুল ধরে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং পরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পর তিনি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামছেন।

[আরও পড়ুন: BJP Victory: সমবায় সমিতিতে জয় বিজেপির! উচ্ছাস কর্মীদের]

নিক্কির বাবা অভিযোগ (Nikki Murder Case) করেন, একাধিকবার পণের চাহিদা মেটানো সত্ত্বেও মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাঁকে হয়রানি করতে থাকে। তিনি বলেন, “প্রথমে তারা পণ হিসেবে একটি স্করপিও গাড়ি চেয়েছিল, আমরা দিয়েছি। পরে তারা একটি বুলেট মোটরবাইক দাবি করে, সেটাও দেওয়া হয়েছে। তবুও তাঁরা আমার মেয়েকে নির্যাতন করে গেছে।”

Related Articles