নেপাল বিক্ষোভের প্রসঙ্গ টেনে সতর্ক করলেন মোহন ভগবত, দিলেন বার্তা
তাঁর সাফ কথা, জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় সেই সরকারকে যারা দূরে সরিয়ে রাখে সাধারণ মানুষের সমস্যা ও চিন্তা থেকে।
Truth Of Bengal: যেভাবে যুবসমাজ নেপালের প্রাক্তন সরকারকে মাথানত করতে বাধ্য করেছে, তা দেখে চমকে গিয়েছে গোটা বিশ্ব। বিদ্রোহের জেরে যেভাবে এক সরকারের পতন হয়েছে, তা দেখে যেমন অনেকে মুগ্ধ হয়েছেন, তেমনি অনেকে সমালোচনাও করেছেন। কিন্তু দিনের শেষে যুবসমাজের এই লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়েছেন অধিকাংশই। এবার এই প্রসঙ্গে, মহারাষ্ট্রে বিজয়া দশমী এবং সঙ্ঘের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে, নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভগবত। তাঁর সাফ কথা, জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় সেই সরকারকে যারা দূরে সরিয়ে রাখে সাধারণ মানুষের সমস্যা ও চিন্তা থেকে। শুধু তাই নয়, তিনি আরও দাবি করেন যে শুধু দেশের বাইরে নয়, অন্দরেও কিছু শক্তি চেষ্টা চালাচ্ছে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির।(Mohan Bhagwat)
মোহন ভগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বিদ্রোহের পরিণত হওয়ার জেরে সরকার পরিবর্তন হয়েছে শ্রীলংকা, বাংলাদেশ ও নেপালে। এটা চিন্তার বিষয় আমাদের জন্য। গত ৩ বছরে বড় রকমের পালাবদল দেখা গিয়েছে আমাদের দেশের প্রতিবেশী অঞ্চলে। সরকার পরিবর্তন হয়েছে শ্রীলংকা, বাংলাদেশ ও নেপালে যুব নেতৃত্বের বিক্ষোভের জেরে। যদিও জনমুখী ও সংবেদনশীল হওয়া উচিত সরকারের। দেশের পরিবর্তন আনা একমাত্র সম্ভব গণতান্ত্রিক উপায়েই।”
উল্লেখ্য, বিভিন্ন ইস্যুতেই ওলি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ ছিলেন নেপালের বাসিন্দারা। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় পরিস্থিতি উগ্র হয়ে ওঠে। পথে নেমে বিক্ষোভ দেখায় যুবসমাজ। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনা নামানো হয়। বহু বিক্ষোভকারী প্রাণ হারান। এছাড়া অনেকে আহতও হয়েছেন। অবশেষে চাপে পড়ে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকেও ইস্তফা দেন কেপি শর্মা ওলি। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি।(Mohan Bhagwat)






