দেশ

একসময় মাওবাদীদের গড়, এবার সেই বস্তরেই জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি মোদির

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ত্রয়োদশ বছরে মাওবাদী অধ্যুষিত হিসেবে পরিচিত ছত্তীসগঢ়ের বস্তরকে বেছে নিলেন নরেন্দ্র মোদি।

Truth of Bengal: এককালের মাওবাদীদের ঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী! বস্তরে জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন নরেন্দ্র মোদির।একসময় যে বস্তরের নাম শুনলেই আতঙ্কিত হতেন প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীরা, সেই বস্তরেই এবার দীপাবলি উদযাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই প্রতি বছর দীপাবলির দিন দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় সেনা জওয়ানদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই এবছরও ব্যতিক্রম হল না।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ত্রয়োদশ বছরে মাওবাদী অধ্যুষিত হিসেবে পরিচিত ছত্তীসগঢ়ের বস্তরকে বেছে নিলেন নরেন্দ্র মোদি।একসময় মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি ছিল এই বস্তর। বছরের পর বছর ধরে মাওবাদী হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বহু সাধারণ মানুষ, পুলিশকর্মী এবং নিরাপত্তারক্ষী। একের পর এক স্কুল, রাস্তা, থানা ধ্বংসের অভিযোগ উঠেছে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে। এমনকী পণবন্দি হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। যে এলাকায় একসময় পা রাখতেও ভয় পেতেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা, আজ সেই এলাকাতেই দেশের প্রধানমন্ত্রী।সম্প্রতি সংসদে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিল নাগাদ মাওবাদী উপদ্রুত জেলার সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে।

সরকারের এই সাফল্যের নেপথ্যে নিরাপত্তারক্ষীদের অবদান এবং তাঁদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতেই মোদির এই বস্তর সফর বলে মনে করা হচ্ছে।এদিন বস্তরে পৌঁছে সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটান প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন, মিষ্টিমুখ করান। জওয়ানদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রত্যেক জওয়ান তাঁর পরিবারের সদস্য। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীকে এত কাছ থেকে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত নিরাপত্তারক্ষীরাও।একসময়ের মাওবাদী আতঙ্কের বস্তর আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। আর সেই পরিবর্তনের বার্তা দিয়েই জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলির আলোয় সামিল হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

Related Articles