Khalistani Terrorist: গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড! আমেরিকা থেকে দেশে ফিরছে জঙ্গি হ্যাপি পাসিয়া, নেপথ্যে চমকপ্রদ তথ্য
আমেরিকার স্যাক্রামেন্টো শহর থেকে তাঁকে শীঘ্রই সরাসরি দিল্লি বিমানবন্দরে আনা হবে।
Truth of Bengal: পঞ্জাবে ধারাবাহিক সন্ত্রাস ও গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড, কুখ্যাত খালিস্তানি জঙ্গি হ্যাপি পাসিয়াকে অবশেষে আমেরিকা থেকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হচ্ছে। আমেরিকার স্যাক্রামেন্টো শহর থেকে তাঁকে শীঘ্রই সরাসরি দিল্লি বিমানবন্দরে আনা হবে। গত ১৭ এপ্রিল আমেরিকার অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার হাতে ধরা পড়ে পাসিয়া। তখন থেকেই তিনি আইসিই-এর হেফাজতে রয়েছেন। হ্যাপির বিরুদ্ধে পঞ্জাবে ১৪ টিরও বেশি গ্রেনেড ও বিস্ফোরক হামলার অভিযোগ রয়েছে। পাকিস্তানের আইএসআই, রিন্দা এবং বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় এই সমস্ত হামলা সংগঠিত হয়েছিল বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে উল্লেখ। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তাঁর মাথার জন্য ৫ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। পাসিয়া শুধুমাত্র হামলার পরিকল্পনাই করেননি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে হামলার দায় স্বীকারও করেছিলেন (Khalistani Terrorist)।
আরও পড়ুন: Tariff Threat: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: ব্রিকস সদস্য হলে ১০% অতিরিক্ত শুল্ক, নড়েচড়ে বসল নয়াদিল্লি!
হ্যাপি পাসিয়ার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসের ছক রয়েছে। সেগুলির মধ্যে রয়েছে, ২০২৪ সালে ২৪ নভেম্বর পঞ্জাবের আজনালা থানার বাইরে আরডিএক্স পুঁতে রাখা হয়, যদিও তা বিস্ফোরিত হয়নি। ২৭ নভেম্বর গুরবখশ নগরের পুলিশ পোস্টে গ্রেনেড হামলা।২ ডিসেম্বর কাঠগড় থানায় গ্রেনেড বিস্ফোরণ, তিন সন্ত্রাসী ধরা পড়ে। ৪ ডিসেম্বর মাজিথা থানায় বিস্ফোরণ, পুলিশ প্রথমে অস্বীকার করে। ১৩ ডিসেম্বর বাটালার আলিওয়াল থানায় গ্রেনেড বিস্ফোরণ। ১৭ ডিসেম্বর ইসলামাবাদ থানায় হামলা। এছাড়াও চলতি বছর ১৯ জানুয়ারি অমৃতসরের গুমতলা চৌকিতে বিস্ফোরণ। ১৬ জানুয়ারি জৈন্তিপুরে মদ ব্যবসায়ীর বাড়িতে গ্রেনেড হামলা। ৩ ফেব্রুয়ারি অমৃতসরের পুলিশ পোস্টে হামলা। ১৪ ফেব্রুয়ারি ডেরা বাবা নানক-এ পুলিশ সদস্যের বাড়িতে বোমা হামলা। ১৫ মার্চ ঠাকুর মন্দিরে হামলা, অভিযুক্ত গুরসিধ এনকাউন্টারে নিহত (Khalistani Terrorist)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/193NB43TzC/
এই সমস্ত হামলার নেপথ্যে হ্যাপি পাসিয়া ও তার সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর যোগসূত্র ছিল। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের আইএসআই-এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছিলেন পাসিয়া। আন্তর্জাতিক খালিস্তানি সংগঠনগুলিও তাঁকে আর্থিক ও কৌশলগত সহায়তা দিয়েছে। পাসিয়ার প্রত্যর্পণের মধ্য দিয়ে ভারত আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমনে এক বড় সাফল্য অর্জন করল বলেই মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। পঞ্জাব পুলিশ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ও মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থার সমন্বয়ে চলা গোয়েন্দা তৎপরতার ফলেই তাঁকে চিহ্নিত ও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। এখন দেখার, ভারতে এনে তাঁকে জেরা করে আরও কত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। পাসিয়ার গ্রেফতারি ও প্রত্যর্পণ ভবিষ্যতে খালিস্তানি জঙ্গি নেটওয়ার্ক ভাঙার দিকেও বড় পদক্ষেপ হতে চলেছে বলে মত সংশ্লিষ্ট মহলের (Khalistani Terrorist)।


