ভারতের প্রধান বিচারপতি হলেন সূর্য কান্ত, তাঁর যুগান্তকারী রায়গুলি সম্পর্কে জানেন?
২০১৯ সালে, তিনি সেই বেঞ্চে ছিলেন যা পেগাসাস ব্যবহার করে সরকার নাগরিকদের ওপর নজরদারি চালিয়েছিল কি না তা তদন্তের জন্য ২০২১ সালে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছিল।
Truth Of Bengal: সোমবার ভারতের ৫৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন জাস্টিস সূর্য কান্ত। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি। ৬৩ বছর বয়সে তিনি প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন। সোমবার রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদি মুর্মু তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান। ২০২৭-এর ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।
সূর্য কান্তের জন্ম হরিয়ানার হিসারে। তিনি ১৯৮৫ সালে আইন পেশায় প্রবেশ করেন, প্রথমে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে, পরে সুপ্রিম কোর্টে। ২০১৮ সালে তিনি হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হন এবং এক বছর পর সুপ্রিম কোর্টে উন্নীত হন। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায়দানকারী বেঞ্চের তিনি সদস্য ছিলেন।
Justice Surya Kant sworn in as Chief Justice of India.
🔹President Droupadi Murmu administers the oath of office to Justice Surya Kant as the 53rd Chief Justice of India at @rashtrapatibhvn. pic.twitter.com/GQbDUM0kMR
— All India Radio News (@airnewsalerts) November 24, 2025
২০২৪ সালে, কান্তের বেঞ্চ প্রাক্তন সেনাদের জন্য ওআরওপি (OROP) স্কিমকে বহাল রাখে, তবে বকেয়া অর্থ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে সরকারকে নির্দেশ দেয়।
২০১৯ সালে, তিনি সেই বেঞ্চে ছিলেন যা পেগাসাস ব্যবহার করে সরকার নাগরিকদের ওপর নজরদারি চালিয়েছিল কি না তা তদন্তের জন্য ২০২১ সালে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছিল।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে, কান্ত সেই পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চের সদস্য ছিলেন, যারা অনুচ্ছেদ ৩৭০ রদ এবং জম্মু–কাশ্মীর ও লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে গঠনের সিদ্ধান্তকে বহাল রাখেন।
২০২৩ সালের যে রায়ে সমলিঙ্গ বিবাহকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি, সেখানে কান্ত সেই বিচারকদের একজন ছিলেন যারা মত দেন যে বিয়ের অধিকার একটি মৌলিক অধিকার নয় এবং বিষয়টি সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত।
২০১৬ সালের নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে ৪-১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বহাল রাখার বেঞ্চেও কান্ত ছিলেন।
২০২০ সালে, তাঁর বেঞ্চ রায় দেয় যে অনির্দিষ্টকালের জন্য ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন রাখা যায় না এবং ইন্টারনেট অ্যাক্সেস বাকস্বাধীনতার অংশ। এই মামলায় কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ পুরো পরীক্ষা বাতিল করতে অস্বীকার করে এবং শুধু প্রভাবিত শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। যদিও চূড়ান্ত রায় পরে দেওয়া হয়, বিতর্কিত এই স্কিম সংক্রান্ত আগের শুনানিগুলিতেও সূর্য কান্ত অংশ নেন।






