বিয়ের আসর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পাশবিক অত্যাচার! ঝাড়খণ্ডে ১৩ বছরের নাবালিকাকে গণধর্ষণ
দফায় দফায় পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনার নেপথ্যে আর কেউ জড়িত কি না, সেই রহস্যভেদে নেমেছে তদন্তকারীরা।
Truth of Bengal: ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলায় এক মর্মান্তিক ও নৃশংস ঘটনার খবর সামনে এসেছে। মহুয়াবন্দ থানা এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৩ বছরের এক নাবালিকা। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং আরও তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত তিনজনেই নাবালক বলে জানা গেছে। দফায় দফায় পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনার নেপথ্যে আর কেউ জড়িত কি না, সেই রহস্যভেদে নেমেছে তদন্তকারীরা।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ধৃতরা জেরার মুখে নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ওই নাবালিকা তার বাবা-মায়ের সঙ্গে মহুয়াবন্দ গ্রামের একটি আত্মীয়ের বাড়িতে বিয়ের আমন্ত্রণে গিয়েছিল। উৎসবের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে অভিযুক্তরা সুকৌশলে তাকে নজরবন্দি করে। এরপর জোরপূর্বক তাকে বিয়ের মণ্ডপ থেকে খানিকটা দূরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে পাশবিক অত্যাচার চালানো হয়। ঘটনার পর গুরুতর জখম অবস্থায় ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে এবং তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
এই পৈশাচিক ঘটনার পর মহুয়াবন্দ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নাবালিকার পরিবার। ঝাড়খণ্ড পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা ওই কিশোরীকে বিয়েবাড়ি থেকে নির্জনে তুলে নিয়ে গিয়ে অকথ্য নির্যাতন চালায় এবং তাকে সেখানেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে দুজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকিদের আটক করা হয়েছে। নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। বিয়েবাড়ির মতো একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে এমন জঘন্য অপরাধের ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকি অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। অপরাধীদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।






