Delhi Air Quality: ধোঁয়াশার চাদরে ঢাকল রাজধানী! AQI ৩৫০-এর ঘরে!
সকালের দিকে বেশ ঠান্ডা এবং ঝোড়ো হাওয়া থাকলেও, বাতাসের বিষক্রিয়ায় দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকা সাধারণ মানুষের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
Truth of Bengal: রবিবারও দিল্লির বাতাসের মানের কোনো উন্নতি হয়নি, রাজধানীর আকাশ আজও ধোঁয়াশার চাদরে ঢাকা। সেন্ট্রাল পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড বা সিপিসিবি-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এদিন দিল্লির সামগ্রিক এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা একিউআই ছিল ২৪৮, যা দূষণের নিরিখে ‘খারাপ’ পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। সকালের দিকে বেশ ঠান্ডা এবং ঝোড়ো হাওয়া থাকলেও, বাতাসের বিষক্রিয়ায় দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকা সাধারণ মানুষের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
শহরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দূষণের মাত্রা ‘খুব খারাপ’ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, আনন্দ বিহারে একিউআই ৩৫০, রোহিণীতে ৩৬১, চাঁদনি চকে ৩৫৫, মুন্ডকায় ৩২৯ এবং আরকে পুরমে তা ৩২২-এ দাঁড়িয়েছে। আইটিও-তেও দূষণের মাত্রা ৩০৯ রেকর্ড করা হয়েছে। তবে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এনএসআইটি দ্বারকা এলাকায় বাতাসের মান তুলনামূলক ভালো, সেখানে একিউআই ১৭৭ রেকর্ড করা হয়েছে যা ‘মাঝারি’ পর্যায়ের অন্তর্গত। এই ঘন কুয়াশা ও দূষণের মধ্যেই ইন্ডিয়া গেটে সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের মহড়া চলছে। দৃশ্যমানতা কম থাকলেও নিরাপত্তারক্ষী ও অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছেন।
মৌসম ভবন জানিয়েছে, রবিবার সকালে দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। ভোরের দিকে কুয়াশা থাকলেও দুপুরের পর থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৮ থেকে ১৯ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাঘুরি করতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়াগত উন্নতির কথা মাথায় রেখে শুক্রবার সন্ধ্যায় গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান বা গ্র্যাপ-এর তৃতীয় পর্যায়ের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে বায়ু মানের যাতে আর অবনতি না হয়, তার জন্য প্রশাসন সাধারণ মানুষকে গ্র্যাপ-এর প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্দেশিকাগুলি কঠোরভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, যে সমস্ত নির্মাণ ও ধ্বংসস্থলগুলি নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া পুনরায় কাজ শুরু করতে পারবে না। বায়ু মান নিয়ন্ত্রণ কমিশন জানিয়েছে, তারা প্রতিনিয়ত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। মৌসম ভবন ও ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মেটিওরোলজির দেওয়া পূর্বাভাসের ভিত্তিতে আগামী দিনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।






