দেশ

প্রতিবাদ করায় দলিত ব্যক্তিকে মারধর সারপঞ্চ ও তাঁর লোকেদের

চৌধুরীর আরও অভিযোগ, পরে বাড়ি ফেরার পথে মুক্তিধাম এলাকায় সারপঞ্চ, তাঁর ছেলে ও ভাইপো সহ আরও একাধিক ব্যক্তি তাঁর উপর চড়াও হন এবং রড-লাঠি দিয়ে মারধর করেন।

Truth Of Bengal: ফের বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে উঠে এলো দলিত সম্প্রদায়ের ব্যক্তির উপর অত্যাচারের খবর। এবারের ঘটনাস্থল মধ্যপ্রদেশ। যদিও এই প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার এই রাজ্যে এই জাতীয় ঘটনা ঘটেছে। এবারের ঘটনাটি ঘটেছে সেই রাজ্যের কাটনি জেলায়। বেআইনি খননের প্রতিবাদ করেছিলেন বলে সেই দলিত ব্যক্তিকে হেনস্তা ও মারধর করা হয়। শুধু তাই নয়, তাঁর উপর মূত্রত্যাগ পর্যন্ত করা হয়। অভিযোগের আঙ্গুল উঠেছে গ্রামের সারপঞ্চ এবং তাঁর লোকেদের বিরুদ্ধে।

আক্রান্ত ব্যক্তি ৩৬ বছর বয়সী রাজকুমার চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, গত ১৩ অক্টোবর, জমিতে চাষ করতে গিয়ে তিনি দেখেন যে বেআইনিভাবে পাথর কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রামগড় পাহাড় থেকে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামের সারপঞ্চ রামানুজ পান্ডে এবং তাঁর দলবল। চৌধুরীর অভিযোগ, তিনি প্রতিবাদ করায় তাঁকে দলিত বলে অপমান করা হয় এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

চৌধুরীর আরও অভিযোগ, পরে বাড়ি ফেরার পথে মুক্তিধাম এলাকায় সারপঞ্চ, তাঁর ছেলে ও ভাইপো সহ আরও একাধিক ব্যক্তি তাঁর উপর চড়াও হন এবং রড-লাঠি দিয়ে মারধর করেন। তাঁর মা তাঁকে বাঁচাতে এলে তাঁকেও মারধর করা হয় চুলের মুঠি ধরে। সারপাঞ্চের ছেলে তাঁর উপর প্রস্রাব করেন এবং হেনস্তা করেন বলেও অভিযোগ চৌধুরীর। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে তফসিলি জাতি ও উপজাতি সুরক্ষা আইনে।

ঘটনা প্রসঙ্গে এএসপি সন্তোষ দেহারিয়া জানিয়েছেন যে তদন্ত চলছে অভিযোগের ভিত্তিতে। অন্যদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওটা সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন অভিযুক্ত সারপঞ্চ রামানুজ পান্ডে। তাঁর বক্তব্য, “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ। কিছু পাথরের দরকার ছিল যেহেতু পঞ্চায়েত বিল্ডিং সারানোর কাজ চলছিল বলে। পাথর খনন একেবারেই বেআইনিভাবে করা হয়নি। এই অভিযোগ মিথ্যে এবং চেষ্টা করা হচ্ছে আমার মানহানির।”

Related Articles