
The Truth Of Bengal: নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন সরকারের এবার আস্থা ভোট হবে ১২ফেব্রুয়ারি।সেখানেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে ক্ষমতাসীন বিজেপি –জেডিইউ জোটকে।এই অবস্থায় দলভাঙার আশঙ্কায় কংগ্রেস বিধায়কদের হায়দরাবাদ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ১১ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁরা থাকবেন তেলেঙ্গানায়। কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি যাতে বিরোধী বিধায়কদের ভাঙাতে না পারে সেজন্য এই সতর্কতা।জোট নিয়ে আশাবাদী রাহুল গান্ধী।
কয়েকদিন আগেই কংগ্রেস-জেডিইউ জোট ছেড়ে এনডিএ-শিবিরে চলে যান নীতীশ কুমার।এবার সেই নীতীশের নেতৃত্বাধীন সরকারই আস্থাভোটের মুখোমুখি হতে চলেছে।কী হবে সেই আস্থাভোটে?ফলাফল কী দাঁড়াবে তা নিয়ে জোরদার চর্চা চলছে।পাল্টিবাজ নীতীশের ভোলবদলের পর সরকারের রাশ কার হাতে থাকবে তাই নিয়ে দড়িটানাটানি চলছে।
- বিহার বিধানসভায় মোট বিধায়ক ২৪৩
- জেডিইউয়ের বিধায়ক ৪৫,বিজেপির ৭৮
- আরজেডি-র বিধায়ক সংখ্যা হল ৭৯
- কংগ্রেসের বিধায়ক ১৯,সিপিআইএমএলের ১২
- বিজেপি দল ভাঙাতে পারে,আশঙ্কায় কংগ্রেস
- দলীয় বিধায়কদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে হায়দরাবাদে
বলা যায়, বিহারে পাল্টে গিয়েছে রাজনৈতিক সমীকরণ। ‘জোট’ বদলের পর নীতীশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী, তাঁকে বিধানসভায় আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি বিহার বিধানসভায় হবে আস্থা ভোট। আর তার আগেই সর্তক বিরোধী শিবির। রবিবার রাতেই বিহার থেকে কংগ্রেস বিধায়কদের তেলঙ্গনার হায়দরাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়। বিমানবন্দর থেকে বাসে চাপিয়ে শহরের উপকণ্ঠে একটি রিসর্টে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। বিহার কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি অখিলেশ সিং জানিয়েছেন দলীয় বিধায়করা ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেলেঙ্গনায় থাকবেন। বিরোধীরা মনে করছে,এককাট্টা থাকলে বিজেপির অপারেশন সফল হবে না।যেভাবে ঝাড়খণ্ডে বিজেপি হালে পাণি পায়নি সেভাবেই বিহারে তাঁদের অপারেশন লোটাস ব্যর্থ হবে। এখন প্রশ্ন আস্থাভোটে ফল কী দাঁড়াবে ? নীতীশকুমার কী বিজেপির হাত ধরে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন নাকি,আরজেডি-কংগ্রেস পাল্টা খেলায় মাত করবে।এরমাঝে রাহুল গান্ধী বুঝিয়ে দিয়েছেন নীতীশ বিজেপিতে ভিড়লেও ধর্মনিরপেক্ষ শিবিরের ঐক্য অটুট থাকবে।






