জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে এবার পহেলগাঁও উপত্যকায় বনধের ডাক
Bandh called in Pahalgaon Valley to protest against terrorist attack
Truth Of Bengal: পহেলগাঁওতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। বুধবার এই পরিস্থিতিতে কার্যত বনধের চেহারা নিয়েছে ভূস্বর্গ। স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে জনজীবন। এক আধিকারিকের তরফে জানান হয়েছে, বুধবার সকাল থেকেই শ্রীনগরের বেশিরভাগ দোকান, পেট্রোল পাম্প এবং অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ফাঁকা রাস্তাঘাট। খোলা রয়েছে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানগুলি। উপত্যকা জুড়ে বেসরকারি স্কুলগুলিও বন্ধ থাকলেও সরকারি স্কুলগুলি খোলা রয়েছে। বনধের প্রভাব দেখা গিয়েছে উপত্যকার অন্যান্য জেলা সদরেও। সেইসঙ্গে মঙ্গলবার জঙ্গি হামলার হামলার নিন্দা জানাতে শান্তিপূর্ণভাবে বেশ কয়েকটি জেলায় হয়েছিল বিক্ষোভ ।
অন্যদিকে এদিনের এই বনধকে সমর্থন করেছে ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি), পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (পিডিপি), পিপলস কনফারেন্স এবং আপনি পার্টি। তাদের সকলের দাবি, এই ধরনের সন্ত্রাস ও সহিংসতা অগ্রহণযোগ্য এবং আমাদের সমাজে এর কোনও স্থান নেই। বলা বাহুল্য, ৩৫ বছরের মধ্যে কাশ্মীর উপত্যকায় সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো এই ধরনের প্রতিবাদে নেমেছেন সকলেই। সেইসঙ্গে মঙ্গলবার যে বর্বরতা পহেলগাঁওতে দেখা গিয়েছে তা মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা। এভাবে নিরীহ পর্যটকদের মৃত্যু যেভাবে আতঙ্কের পরিবেশকে ফিরিয়ে আনছে, তাতে কাশ্মীর ফের অন্ধকারে ফিরে যেতে পারে এই আশঙ্কা সকলের।
উল্লেখ্য, পর্যটন শিল্পই হল কাশ্মীরের মানুষের উপার্জনের প্রধান অবলম্বন। সেখানে দাঁড়িয়ে মঙ্গলবার দুপুরের ঘটনায় সরাসরি আক্রান্ত হয়েছেন পর্যটকরাই। এর ফলে পর্যটন শিল্পও যে বড়সড় ধাক্কা খেতে চলেছে তাতে নিশ্চিত তাঁরা। ইতিমধ্যেই উপত্যকা জুড়ে, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রগুলির আশেপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের তরফে জানান হয়েছে, শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির দোকানগুলি খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বলা বাহুল্য, পহেলগাঁও হামলায় অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। সেইসঙ্গে বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন বলে খবর।






