
The Truth of Bengal: রথযাত্রার পবিত্র দিনেই বুকিং শুরু হয় বিভিন্ন যাত্রাপালার অপেরা হাউসের। জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষ দিন পর্যন্ত চলে এই বুকিং। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ইন্দ্রনীল সেনের হাত ধরে সেই অনুষ্ঠানেরই শুভ সূচনা হলো। প্রকাশিত হলো যাত্রা দর্পণ পোস্টার। বাংলার সৃষ্টি ও সংস্কৃতির ইতিহাসে প্রাচীনতম ঐতিহ্যে হলো যাত্রা। আজও গ্রাম বাংলার আনাচে-কানাচে অনুষ্ঠান বা উৎসবে আয়োজিত হয় যাত্রাপালার।আধুনিক এই সমাজে সিঙ্গেল স্ক্রিন মাল্টিপ্লেক্স থেকে মোবাইলের স্ক্রিনে সংস্কৃতির দৌড় থামলেও। গণমাধ্যম হিসেবে যাত্রাপালার কথা ভলেনি বাঙালি।
রথের চাকা গড়ানোর সাথে সাথেই গড়ায় যাত্রাপালার চাকা। গোটা একটা নতুন বছরের প্রস্তুতির শুরুর দিন। অতীত থেকেও এই রীতি চালু থাকলেও 2011 সালের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর আরো জাকজমকভাবে এই দিনটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে প্রকাশিত হলো তাদের পোস্টার ‘যাত্রা দর্পণ’। ১৪৩০ সালের যাত্রাপালাগুলির তথ্যবলীর সম্বলিত এই পোস্টার। এই দিনটি থেকেই যাত্রাপালার যাবতীয় আনুষ্ঠানিক বুকিং, রিয়েসালের শুভ সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ যাত্রা অ্যাকাডেমির সভাপতি ও রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। রাজ্য তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন সহ বিশিষ্টরা। অতিমারির থাবায় খানিকটা ছন্দপতন হলেও গতবছর থেকেই ব্যবসায়িকভাবে লাভের মুখ দেখেছে যাত্রা দলগুলি। এ বছরও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভালো সাড়া মিলবে বলেই আশাবাদী পশ্চিমবঙ্গ যাত্রা একাডেমি।






