মুম্বইয়ের প্রবল বৃষ্টির মাঝেই বিয়ে সারলেন আমির খান, গৌরীর সঙ্গে শুরু করলেন নতুন জীবন
অত্যন্ত ছিমছাম পোশাকেই নজর কেড়েছেন নবদম্পতি।
Truth of Bengal: রবিবাসরীয় সকালে প্রবল বর্ষণে যখন মুম্বই শহর জল থৈ থৈ, ঠিক তখনই সম্পন্ন হলো বলিপাড়ার এক হাইপ্রোফাইল বিয়ের মধুর অধ্যায়। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ৫ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে নতুন পথচলা শুরু করলেন আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর পৌনে একটা নাগাদ ঘরোয়া পরিবেশে বিশেষ বিবাহ আইনে (স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট) সই করেছেন এই তারকা যুগল। অত্যন্ত ছিমছাম পোশাকেই নজর কেড়েছেন নবদম্পতি। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে হাসি মুখে আমির যখন রেজিস্ট্রি পেপারে সই করছিলেন, তখন গৌরীর চোখে-মুখে ছিল আনন্দের আভা। ইতিমধ্যেই তাঁদের বিয়ের প্রথম ছবি প্রকাশ্যে এসেছে।
সকাল থেকেই মিস্টার পারফেক্টশনিস্টের পালি হিলের বাড়ির সামনে ছিল উৎসবের মেজাজ ও কড়া নিরাপত্তা। খান পরিবারের গেটের সামনে একের পর এক বিলাসবহুল গাড়ি এসে থামতেই ভিড় জমিয়েছিলেন সেলেব পাপারাজ্জিরা। অনুষ্ঠানটি ঘরোয়া পরিসরে আয়োজিত হলেও সুপারস্টার আমিরের এই বিশেষ দিনের যাবতীয় খুঁটিনাটি ফ্রেমবন্দি করতে উদগ্রীব ছিলেন আলোকচিত্রীরা। অন্যদিকে প্রিয় তারকার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের প্রতিটি মুহূর্ত দূর থেকেই উপভোগ করতে মুখিয়ে ছিলেন অনুরাগীরাও। গৌরীর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে জীবনে বিয়ের ‘হ্যাটট্রিক’ করলেন আমির।
এই হাইপ্রোফাইল বিয়েতে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হয়েছিলেন সস্ত্রীক পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর এবং রাজনীতিবিদ রাজ ঠাকরে। বাবার তৃতীয় বিয়ের সাক্ষী থাকতে আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন আমিরের তিন সন্তান। পূর্বঘোষিত সূচি মেনেই এসেছিলেন বড় ছেলে জুনায়েদ খান, এবং স্বামী নূপুর শিখরের হাত ধরে এসেছিলেন মেয়ে ইরা খানও। আমিরের বাড়ির অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে মুম্বইয়ের প্রবল বৃষ্টিতে বেশ খানিকটা বেগ পেতে হয় অম্বানি পরিবারকে। আমিরের বাড়ির সামনে আচমকা গাছ ভেঙে পড়ায় তাঁদের কনভয় আটকে পড়ে। অন্যদিকে, বৃষ্টি মাথায় নিয়েই গাড়ি থেকে নেমে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা যায় কমেডিয়ান বীর দাসকে।
রবিবার সকাল থেকেই মুম্বইয়ের দুর্যোগের মধ্যেও আলোর মালায় সুসজ্জিত আমির খানের বাসভবনে হাইভোল্টেজ বিয়ের রাজকীয় মেজাজে কোনো খামতি ছিল না। সমস্ত বাধা পেরিয়ে প্রবল বৃষ্টির মাঝেই সম্পন্ন হলো আমির-গৌরীর চার হাত এক হওয়ার উৎসব।






