George Telegraph: জর্জ টেলিগ্রাফের শিক্ষানবিশ অগ্রগতি প্রকল্পের কর্মশালায় পেশাগত জগতের প্রবেশের মহড়া
Truth Of Bengal: জর্জ টেলিগ্রাফ (George Telegraph) ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এমন এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যারা সাবেকি ভাবধারা ধরে রেখেও সময়োপযোগী ঐতিহ্যও বহন করে চলেছে। তারা শুধু শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়েই ক্ষান্ত থাকে না, পাশাপাশি ওই ছাত্রছাত্রীদের পেশাগত আত্মবিশ্বাসও গড়ে তোলে। যাতে তারা নানা কর্মশালার মাধ্যমে পেশাগত জগতে প্রবেশ করতে পারে।
[আরও পড়ুন: Finger Length: পুরুষের আঙুল যৌন জীবন সম্পর্কে কী ইঙ্গিত দেয়, কী তথ্য উঠে এল গবেষণা রিপোর্টে]
সেরকমই একটি অভিনব বৃহৎ কর্মশালা হল এনএপিএস (National Apprenticeship Promotion Scheme)জাতীয় শিক্ষানবিশ অগ্রগতি প্রকল্প। জর্জ টেলিগ্রাফের অটোমোবাইল ও ইভি (ইলেকট্রিক ভেহিকেলস) টেকনোলজির শিক্ষার্থীরাই বেশি ছিল কর্মশালায়। যোগ দিয়েছিল অন্য প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরাও। জর্জ টেলিগ্রাফ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, এনএপিএস এবং এএসডিসি (Automative Skill Development Council) যৌথ ব্যবস্থাপনায় এই বিশাল কর্মকাণ্ডটি হয়েছে।
কেন্দ্র সরকার প্রথম ১৯৬১ সালে আইন প্রণয়ন করে জানিয়েছিল, সরকারী ও প্রতিষ্ঠিত বেসরকারী সংস্থায় নুন্যতম ওই সংস্থার মোট কর্মীর আড়াই শতাংশ শিক্ষানবিশ কর্মী নিতে হবে। সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শিক্ষানবিশ কর্মী নেওয়া যাবে। তারপর শেষ জাতীয় শিক্ষানবিশ প্রকল্পের সংবিধান বদল হয় ২০১৪ সালে। সেখানেও এই অস্থায়ী শিক্ষানবিশ কর্মী নিয়োগের বিষয়ে জোর দিয়ে বলা হয়েছে। এখানেও বিষয়টি অন জব ট্রেনিং কিংবা ইনটার্নশিপের মতোই, কিন্তু অ্যাপ্রিন্টেনশিপের ক্ষেত্রে ওই শিক্ষানবিশ কর্মীকে ভাতা দিতেই হবে। এটাই এই নিয়োগের আবশ্যিক শর্ত।

জর্জ টেলিগ্রাফ প্রাচীন সাবেকি প্রতিষ্ঠান। তাদের শিক্ষানীতি বাকিদের থেকে আরও বেশি আকর্ষণীয়। সেই কারণেই প্রায় ১৫০ জন শিক্ষার্থীকে এই কর্মশালায় হাজির করিয়ে তারা পেশাগত অবস্থান সম্পর্কে ধারণা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, ন্যাশনাল অ্যাপ্রিন্টেনশিপ প্রমোশন স্কিল-এর শিলমোহর দেওয়া সার্টিফিকেটও পেয়েছে তাদের কয়েকজন। যে সকল শিক্ষার্থীরা অন্য কোনও অটোমোবাইল সংস্থায় একবছরের জন্য সফলভাবে শিক্ষানবিশ কর্মীর কাজ শেষ করেছেন, তাদের দেওয়া হয়েছে বিশেষ স্বীকৃতি (George Telegraph)।
অনুষ্ঠানটি শুরু হয়েছিল প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে। ছিলেন জর্জ টেলিগ্রাফ ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সিইও সঞ্জীব কুমার দাস, এনএপিএস-র বিক্রম দাসসহ এএসডিসি-র শীর্ষ আধিকারিকরা।
[আরও পড়ুন: Bandh Vandalism: বিজেপির খেজুরি বন্ধ: বাঁশগোড়ায় জোর করে বন্ধ করানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৮]
সঞ্জীব কুমার দাস এই প্রকল্প নিয়ে জানিয়েছেন, এই ধরনের উদ্যোগ জর্জ টেলিগ্রাফ নিয়েছে বলেই শিক্ষার্থীরা পেশাগত জীবনে পা দিতে পারবে আত্মবিশ্বাসী হয়ে। কারণ এমন কর্মশালার আয়োজন একটাই কারণে যাতে কোনও কোম্পানিতে যোগদানের আগে শিক্ষার্থীরা শিক্ষানবিশ কর্মী হিসেবে কাজ করায় তাদের মধ্যে কর্মসংস্কৃতি গড়ে ওঠে। তার থেকেও বড় কথা, কেন্দ্র সরকার এই প্রকল্প বাধ্যতামূলক করেছে। বর্তমানে সব ধরনের সরকারী সংস্থায় শিক্ষানবিশ কর্মী নিয়োগ করতেই হবে।
কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের এনএসপিএসের ওয়েবসাইট সম্পর্কে নানা খুঁটিনাটি বিষয় শেখান এএসডিসি-র শিক্ষকরা। এমনকী উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের তাৎক্ষণিক মেধা পরীক্ষার জন্য একটি মনোজ্ঞ ক্যুইজের আসরও পরিচালনা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে দারুণভাবে শেষ হয় এই বিশেষ কর্মশালা (George Telegraph)।






