বৃষ্টি না থামায় আশঙ্কা কাটছে না সিকিমবাসীর,ধস প্রবণ এলাকায় চলছে উদ্ধারকাজ
If the rain does not stop, the fear of the people of Sikkim does not go away

The Truth of Bengal: বৃষ্টি না থামায় আশঙ্কা কাটছে না সিকিমবাসীর। এখনও ধস প্রবণ এলাকায় চলছে উদ্ধারকাজ।বর্ডার অর্গানাইজেশন ধস বিধ্বস্ত এলাকার পুনর্গঠনের কাজে নেমেছে। জওয়ানরা যাতায়াতের সুবিধার জন্য তৈরি করেছে ৭০ ফুট বেইলি ব্রিজ। সিকিম প্রশাসন ও জওয়ানদের যৌথ উদ্যোগে উদ্ধারকাজ চলছে। এরমধ্যে ১২৭৩জন পর্যটক রাজ্যে ফিরে এসেছেন, বাকিদের বাংলায় ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। উত্তরবঙ্গে বর্ষা আগেই প্রবেশ করেছে। বর্ষা প্রবেশ করতেই উত্তরবঙ্গে একাধিক জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়। তবে বর্ষা যে তার ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করবে তা কেউ ধারণা করতে পারেনি। যদিও বর্ষায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সিকিমে। বলা যেতে পারে প্রবল বৃষ্টিতে ধসে বিধ্বস্ত সিকিম। ধস প্রবণ এলাকায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার কাজ। বর্ডার অগরাইনেশন ধস বিধ্বস্ত এলাকা পুনর্গঠনের কাজে নেমেছে। কারণ সিকিমের একাধিক জায়গায় নেমেছে ধস। ধস বিধ্বস্ত বেশ কিছু রাস্তা এখনও মেরামত করা সম্ভব হয়নি। তবে রাস্তা মেরামতি থেকে শুরু করে পর্যটকদের উদ্ধার সব কিছুই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে। সিকিম প্রশাসন-সেনা জওয়ানরা যৌথ উদ্যোগে এই উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার ডিকচু-সংকলং রাস্তায় বেইলি ব্রিজ তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করে ভারতীয় সেনা জওয়ানরা। এই বেইলি ব্রিজ তৈরি করতে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় জওয়ানদের। প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও হার না মানা মানসিকতা নিয়ে ৭০ ফুট বেইলি ব্রিজ তৈরি করেন জওয়ানরা। ত্রিশক্তি কর্পসের সেনা ইঞ্জিনিয়াররা গ্যাংটকের ডিকচু-সাঙলাং রোডে একটি ৭০ ফুটের ব্রিজ তৈরি করেছে। আর ব্রিজ তৈরিতে তারা সময় নিয়েছে ৭২ ঘণ্টা। গুয়াহাটির ডিফেন্স পিআরও জানিয়েছেন, ২৩ জুন এই ব্রিজ নির্মাণ শুরু হয়েছিল। বৃহস্পতিবারই তা শেষ হয়েছে। তবে সেনার এই ধরনের কীর্তি নতুন কিছু নয়। এর আগে ত্রিশক্তি কর্পসই সীমান্তের গ্রামগুলির সঙ্গে উত্তর সিকিমের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্নির্মাণ করে।
জানা গিয়েছে এই বেইলি ব্রিজ তৈরি হওয়ায় মঙ্গন জেলার একটি অংশের মানুষকে দ্রুত খাবার ও স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এরমধ্যে বৃষ্টির জন্য উত্তর সিকিমে লন্ডভন্ড অবস্থা। ডিকচু থেকে শুরু করে লাচুং, লাচেন, চুংথাম সহ বিভিন্ন এলাকায় বেশিরভাগ রাস্তায় ধস নেমেছে। যার জন্য ব্যাহত হয়েছে জনজীবন। বিপর্যস্ত হয়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। পর্যটকরাও সমস্যায় পড়েছেন, কারণ তাঁরা বাড়ি ফিরতে গিয়ে নাজেহাল হন। এখন সেতুর মাধ্যমে সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত এই সেতু নির্মাণ হলে সাধারণ মানুষের মতোই পর্যটকদেরও সুবিধা হবে। বাংলার পর্যটকরা আগামীদিনে যাতে সবাই নিরাপদে ফিরে আসে সেজন্য তৎপরতা জারি আছে।






