দেশ

‘যৌ*নকর্মী’ নয় ট্র্যাফিকড ভিক্টিম, শব্দবন্ধ বাতিল সুপ্রিম কোর্টের

Sex Worker in Supreem Court

The Truth of Bengal: স্পষ্ট নির্দেশ না থাকলেও ‘যৌ*নকর্মী’ বা ‘সে*ক্স ওয়ার্কার’ শব্দের ব্যবহার নিয়ে আগেই আপত্তি উঠেছিল। এবার এই শব্দবন্ধ বাতিল হতে চলেছে। আর বলা যাবে না ‘যৌ*নকর্মী’ বা ‘সে*ক্স ওয়ার্কার’। এই শব্দটি এবার বাতিলের খাতায় রাখতে বলল সুপ্রিম কোর্ট। লি*ঙ্গনির্ভর শব্দের ব‌্যবহার এড়াতেই এই পথে হাঁটার কথা বলা হল দেশের শীর্ষ আদালতের তরফে। এই পেশার সঙ্গে যুক্তদের এবার বলতে হবে ‘ট্র্যাফিকড ভিক্টিম’। শীর্ষ আদালতের তরফে শব্দ ব‌্যবহার বিধির যে হ‌্যান্ডবুক প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে এই পেশার সঙ্গে যুক্তদের কী বলা হবে তাঁর স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে। এখন থেকে,

.‘যৌ*নকর্মী’র বদলে বলতে হবে ‘ট্র‌্যাফিকড ভিক্টিম’

.বলতে হবে ‘বাণিজ্যিক যৌ*নকর্মে নিযুক্ত মহিলা’

.‘বলপূর্বক বাণিজ্যিক যৌন শোষণের ফাঁদে পড়া মহিলা’

.লি*ঙ্গনির্ভর শব্দের ব‌্যবহার এড়াতে এই সিদ্ধান্ত

এর আগে গত আগস্ট মাসে সুপ্রিম কোর্ট লি*ঙ্গবৈষম্য রুখতে আইনি ভাষ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন আনার কথা বলেছিল। সুপ্রিম কোর্ট প্রকাশিত ‘হ্যান্ডবুক অন কমব্যাটিং জেন্ডার স্টিরিওটাইপ’-এও এই শব্দবন্ধ স্থান পেয়েছিল। এবার তা বদলে যাচ্ছে। বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়কে চিঠি লিখে ‘যৌ*নকর্মী’ শব্দটির ব্যবহার বন্ধ হওয়া উচিত জানিয়েছিল। অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ফোরাম নামে একটি সংগঠনের অধীনে জড়ো হয়েছিল গোয়া, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, অসম, দিল্লি ও মণিপুরের একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। তাদের বক্তব্য ছিল, যৌ*নকর্মী বললে মনে হয় এই পেশায় যুক্ত সব মহিলাই স্বেচ্ছায় এই কাজ বেছে নিয়েছেন। কিন্তু, সবক্ষেত্রে এই কথাটি বাস্তব নয়। অনেকেই এই পেশায় আসতে হয়েছেন প্রতারিত হয়ে বা মুক্তির পথ পাননি বলে। তাঁদের ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার যথাযথ হতে পারে না। সব খতিয়ে দেখে যুগান্তকারী পদক্ষেপ করল দেশের শীর্ষ আদালতে।

Related Articles