
The Truth of Bengal: বিদেশি মুদ্রা বিনিময় আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সোমবার টানা আট ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে শিল্পপতি অনিল আম্বানিকে। এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এর আধিকারিকরা তাঁর স্ত্রী টিনা আম্বানিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চলেছেন। মঙ্গলবার সকালেই তিনি ইডি-র দফতরে পৌঁছে যান। ভারতের বাইরে কত সম্পত্তি রয়েছে এবং করফাঁকির স্বর্গরাজ্যে কত বিনিয়োগ রয়েছে, তা নিয়ে সোমবারই অনিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদে অধিকাংশ প্রশ্নের উত্তরই এড়িয়ে যান অনিল। তাই আবারও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি।
অভিযোগ, ২০০৭ সালে বিদেশ থেকে বিশাল অঙ্কের টাকা দেশে এনেছিলেন অনিল। এই বিপুল পরিমাণ টাকাকে বিদেশি বিনিয়োগ হিসেবে উল্লেখ করা হয় । বিদেশ থেকে ঋণে টাকা তুলে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আইনের আওতায় ব্যাঙ্ক মারফত ওই বিপুল পরিমাণ টাকা তাঁদের হাতে এসে পৌঁছয় বলে দাবি করেন অনিল এবং তাঁর সহযোগীরা। ঠিক কত পরিমাণ টাকা আনা হয়েছিল, যদিও তা স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি। তবে ইডি সূত্রে দাবি, টাকার অঙ্ক প্রায় ২০০০ কোটি।
সত্যিই অনিল ঋণ নিয়েছিলেন, নাকি ঘুরপথে বিদেশে নিয়ে যাওয়া টাকাকেই ফিরিয়ে এনেছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।২০২০ সালের অগাস্ট মাসে আয়কর দফতরের তরফে নোটিস পাঠানো হয় অনিলকে। কালো টাকা প্রতিরোধ আইনে নোটিস ধরানো হয়। জরিমানাও দেওয়ার কথা জানান হয় সেই সময়। অভিযোগ ছিল, সুইস ব্যাঙ্কের দু’টি অ্যাকাউন্টে ৮৪০ কোটি টাকা গচ্ছিত থাকার কথা রেকর্ডে উহ্য রেখেছিলেন অনিল। ৪২০ কোটি টাকার করফাঁকি দেন তিনি। বম্বে হাইকোর্ট যদিও ওই নোটিস এবং জরিমানায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে।






